flowers beside yellow wall

সরোদ এবং আত্মহত্যাপ্রবণ সন্ধ্যা

ডোমদের হাতে সরোদ হয়ে বাজে নিথর শরীর,আত্মহত্যার সুর!

বিসংবাদিত  সময়ের যেকোনো আত্মহত্যাপ্রবণ সন্ধ্যা
এবং
এপিটাফ কখনো মিথ্যে বলেনা!

তবে কী মানুষ মৃত্যুর মোড়কে মুক্তি খোঁজে?

ফর্মোনাইট্রাইলে কালশীটে জিভের দিকে তাকিয়ে
সেই সংক্রান্ত উপসংহারে আমরা এখনো পৌছতে পারিনি।

মানুষ কেবলই চিত্রিত চরিত্র এক
নিপুণ মহড়ায় করছে নিজেকে দৃশ্যায়ন।

সমান্তরাল জীবনের অসংখ্য বিভাজন
ক্যালকুলাসে ক্লান্ত প্রতিটি নিঃশ্বাস
অমিমাংসীত- 
কতোটা অযৌক্তিক বেঁচে থাকা আর  কতোটা যৌক্তিক মরে যাওয়া!

যদিও পৃথিবীকে অস্বীকার করা পাপ!
তবুও সুর হয়ে বাজে মৃত্যনুরাগ….

যেকোনো বিমর্ষ মানুষের  দিকে তাকিয়ে ভাবি
মানুষ তুমি উত্তম
কারণ তুমি নির্ধারণ করেছো সহ্যের সর্বোচ্চ সীমা এবং অস্বীকার কোরবার ক্ষমতা!

Similar Posts

  • নৈঃশব্দের শুরু

    তোমাকে খুঁজতে খুঁজতে মার্বেলের মতো ছুঁড়ে  দিয়েছি বেলাদেবদারুর গায়ে নেমে এলে কিন্নর বিকেলচিবুককে বলেছি ভয় পেওনাঅতোটা নিঃসঙ্গতা তোমাকে ছোঁবেনা।….আর তুমি আমাকে  বাজেয়াপ্ত করেপিয়ালের বনে গাঢ় শুয়ে আছো অনভিপ্রেত ঘুমেআমার সমস্ত ভালোবাসা গলাকাটা মোরগের মতো কাতরাচ্ছে তোমারই  সিথানে  যেনো ব্যাকুল কোনো কবিতাদৃশ্যআলোড়ন তুলে নিভে যাবে নির্লিপ্ত, নীরব শব্দের কোঁচকানো ঢেউ, পাশেই ক্লান্ত টঙ্কারনিষ্প্রভ আয়ুরেখা থেকে উঠে আসাএকটা সদাব্যস্ত দীর্ঘশ্বাসে জেনেছি …

  • পৃথিবী এবং তুমি

    সেদিন বলছিলে -তুুমি কেবল আমাকে নিয়েই লিখছপৃথিবীটাকে নিয়েও লিখতে পারতে,লিখতে পারতে জানা অজানাকে নিয়ে। আমি স্মিত হেসেছিলামবলা হয়নি –  তোমাকে আবিষ্কার কোরেছি আমি পৃথিবী আবিষ্কারেরও বহুপূর্বে। তখনো তোমার সংগে আমার দ্যাখা হয়নিফলন ভালো হয়নি বলে কিষাণীর পায়ের কাছে  পরে থাকা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ দুপুরটার যে বর্ণনা লিখেছিলাম এই এতোদিন পর তা হুবহু মিলে গেছে তোমার সংগে! তোমার  জেগে…

  • ডাকনাম

    তোমার ব্যথার পাশে আমি এক গভীর রমণী উড্ডীন তারাদের ছলছলশহর থেকে দূরে গোপন আরোগ্যালয়, সারি সারি শুশ্রুষাশহরের হাওয়ায় দোল খাওয়া নিঃস্ব চুলে পরম আঙুল।তোমার গোপনে আমি এক গহ্বর পিয়ানোনিঃশব্দের রীডে তোমার ভেতর বাজি দিনমানতোমাকে বাজাই দ্রোহ যাতনায়।তোমার বুকের পাশে আমি ছলাৎছল মাছেদের ঋতুকালজলের ঝিরিঝিরি উদ্বেগতোমার ঠোঁটের তীরবর্তী ল্যান্ডস্কেপে সুখের বালিয়াড়ি ঢেউতোমার স্পর্শে আমি সদ্য নারীঢেউয়ে…

  • শরীর ভেজা দিনে

    শরীর ভেজা দিনে* থামতে থামতে ভেসে গেছি, ঢেউ বলেছে এসোবৃক্ষ শাঁখায় ব্যথার বেশে মানু‌ষের মুখওপাতায় দুলছে হাওয়া,ঝরছে বুক ঢলোঢলো-হৃদয় মর্মর মাটি, পায়ের তালু তৃণ অইতো সর্বনাশের নদী-খোলা মাঠে উদোম গায়ে ছুটছে জীবন ঝুঁকিনগ্নতাকে আঁকড়ে ধরে বাজছে বীণা ধ্রুপদলহর থেকেই আসছে ভেসে বধ করা অসুরবসে আছো  ভোরের ভেতর  ধোঁয়ায় উড়া মাছি, কতযুগ পরের তুমি, কত যুগের আমি?আমরা…

  • ভাঙা দেয়ালের ফাঁকে

    ভাঙা দেয়ালের ফাঁকে আলো এসে পরে খোলস ভাঙতে ভাঙতে ক্লান্ত হাতুড়ি ডানা ভাঙা চোখে চেয়ে থাকে বিহ্বল।গভীর চুমু আঁকার আগেই মুছে যায় হরিয়ালি দুপুর, সম্পর্কের সুদিন।অন্ধকারের মায়ায় উবু হয়ে ঝুলে থাকা দিনগুলোবিবর্ণতার কোল ঘেষে উছলায়বিষণ্নতা মুখর নদীতে নৌকা বায় হাড় জিরজিরে মাঝি।ঠিকানার খোঁজে বিবমিষার সহস্রাব্দ কাটিয়ে দেয় হাড়মাংসের এককফুলস্কেপ কাগজে আলুথালু শব্দেরা ঘুরিয়ে ফিরিয়েজানতে চায়,…

  • অনুনয়

    প্রেমিকার সিথানে মৃত সৈনিকের নীরবতা রেখে ফিরে যেওনা যুবক।আজ যে শহরের উদোম বুক জুড়ে উন্মাদ জ্যোৎস্না!তুমি থেকে যাও অনায়াসে ভেসে যেতে চোখের মায়ায় তুলে নিতে বুক মলাটের উষ্ণতায়তুমি জেনে নাও এমন বেলায় খুঁজে নিতে হয় ক্লান্তি পোহানো কাঁধের পাশে চেনা অন্ধকার চুলের ভাঁজে হারানোর পথ।শিল্পীর ঔপনিবেশিক মগ্নতায় স্বেচ্ছাচারী ক্যানভাসে অকপট স্পর্শে জাগিয়ে তোলো ঘুমন্ত নগরী ভাঙুক সমুদ্র ঢেউ অথবা রাত প্রহরার বিক্ষুদ্ধ সৈন্যদল।থমকে থাকা সময়ে চেনা নদীর কিনার ঘেষে কাদা মাখামাখি প্রেমকে চুমু খাক রুপালি আলো নরম ঢেউয়ে পাল তোলা কাগুজে নৌকা দূর বন্দরে হারাকআজ তুমি কোত্থাও যেয়োনা যুবক আজ তুমি থেকে যাও….

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *