wrecked white Volkswagen Beetle coupe on grass

বিস্মৃতির নিরালা ক্ষণ

রাতের বুকে মাথা রেখে আমি অন্ধকারকে শুনি।ভেতরে ছটফট করে কর্পোরেট হুলস্থুল,তুমি।মন্থর পায়ে বুকের সিঁড়ি ভাঙা এইসব রাতে বৃষ্টি হয় খুব।
জানালার চোখ নিয়ে যায় দূর
স্মৃতির জলাবদ্ধতা সাঁতরে ফিরতে আমার খুব ক্লান্ত লাগে, জানো!
ভালোবাসার অবাধ্য অন্ধকার এসে জড়ো হয়
এখানে তুমি নেই
তোমার শহর
সময় থেকে অনেক দূর
আমার খুব ঘুমিয়ে পরতে ইচ্ছে করে
অসংখ্য বিস্মৃতির নিরালা ঘরে জেগে থাকা তোমাকে
অন্ধকারের দেয়াল এঁকে মুছে ফেলতে ইচ্ছে করে
অথচ-তুমি গ্রাস করেছো ধমনীতে ছুটে বেড়ানো রক্তস্রোত
দিয়েছো হাড়ের ভেতর জমাট মৃত্যু ছিমছাম পরিপাটি বিশৃংখলা।

Similar Posts

  • বিবিধ 

    সব্জির দোকানে ছেটানো জলমাংসের দোকানে লেগে থাকা রক্তের ভিড় ভালোলাগেনা আমারভালোলাগেনাভেজানো ছোলায় ফেঁপে ওঠা রাক্ষসকরমচা চোখযাপনের আটপৌড়ে আলনায় ঝুলে থাকা বাহারি জামা। আমি এসব থেকে দূরে যেতে চাই। চাদরের ঝুল বেয়ে নেমে যায় কচ্ছপ রাতমেঝেতে ছড়ানো রিপুর কাঁদমাটি মাড়ানো পা ভিজতে থাকে বর্ষায় আমি শুধু তোমাকে ভাবি,মুঠোয় করে আনি সমুদ্রশ্বাসঅথচ তুমিও মানবিকঅমানবিক কানাঘুষা ছুড়ে মারো আমার মুখে এই বলে স্বান্তনা…

  • তোমাকে ভেবে

    তুমি ছাদ থেকে নেমে গেলে আমার ভীষণ অশান্ত লাগেঘরে ঘুমিয়ে তোমার পুরনো মনযেকোনো সময় তোমাকে তার কাছেই ফিরতে হয়তুমি তাকে কথা দিয়েছো।আমার মাথার উপর বৃত্তাকারে উড়ছে বিধ্বংসী ভাবনাভারী হচ্ছে চোখ বইয়ের পাতায়পাঁচ সিকির মতো অচল দাঁড়িয়ে আমার আঙুল কবিতায়।তোমার নিষ্কল স্টেশনে আমি হঠাৎ ঢুকে পড়া এক অর্বাচীন ট্রেনসে তোমার পুরনো মনতোমাকে তার কাছেই ফিরতে হয়তোমাকে…

  • কাঠঠোকরা

    আমাকে তুমি বলে দিতে পারো বলে থামিয়ে দিলে কোলাহলওভাবে বহুদিন কেউ স্পর্শ করেনি আমায়যেভাবে তোমার পাঁচটা আঙুল কিনে নিলো অবলীলায়কেউ বললো অন্যায় করছিস, করছিস অযাচারশুধু এইটুক জানতামকাঠঠোকরার মতো পাঁচটি আঙুল খুঁড়ে চলেছে হৃদয় আমারভালোবাসছি আবারশুধুমাত্র সেই পাঁচটা আঙুলকে তোমারযেখানে আমি রাখতে চেয়েছি এতোকালএকটা নির্জন রাতের অনাহারএকটা বিচ্ছিন্ন সমুদ্রতটঅনাহত প্রবল ঝড়,গুড়ো কান্নার দমকএকটা ঝরা পলাশের দলিত…

  • প্রত্যাহার

    কতোটা অগোচর ছিলো নির্লিপ্ত এই ফিরে আসাজানে অরণ্য বিষাদ মেখে উড়ে যাওয়া পাখির ডানা। ফেলে আসা ছায়ার শরীরে তুমি গোটা গোটা অক্ষরে লিখে চলেছো নীরব প্রত্যাহার তোমার অনভ্যস্ত আলাপচারিতার দিকে তাকিয়ে ভাবিঅলীন্দের দেয়ালে আমিই অলঙ্কৃত করেছি তোমার সর্বশ্রেষ্ঠ পোর্ট্রেট। 

  • নৈঃশব্দের শুরু

    তোমাকে খুঁজতে খুঁজতে মার্বেলের মতো ছুঁড়ে  দিয়েছি বেলাদেবদারুর গায়ে নেমে এলে কিন্নর বিকেলচিবুককে বলেছি ভয় পেওনাঅতোটা নিঃসঙ্গতা তোমাকে ছোঁবেনা।….আর তুমি আমাকে  বাজেয়াপ্ত করেপিয়ালের বনে গাঢ় শুয়ে আছো অনভিপ্রেত ঘুমেআমার সমস্ত ভালোবাসা গলাকাটা মোরগের মতো কাতরাচ্ছে তোমারই  সিথানে  যেনো ব্যাকুল কোনো কবিতাদৃশ্যআলোড়ন তুলে নিভে যাবে নির্লিপ্ত, নীরব শব্দের কোঁচকানো ঢেউ, পাশেই ক্লান্ত টঙ্কারনিষ্প্রভ আয়ুরেখা থেকে উঠে আসাএকটা সদাব্যস্ত দীর্ঘশ্বাসে জেনেছি …

  • শাস্তি

    ফুল, তুমি আমার নিজস্বনির্জন ভঙ্গিমাহাওয়ার কাছ থেকে পাওয়া নিঃশ্বাসের ভাগ।জারুলের দিনে বৃষ্টির কবিতা শোনাতে আসা প্রাচীন অক্ষরতোমাকে বোঝাতে পারেনিতুমি সেই বালক বয়েসযেখানে বিকেলবেলা নোঙ্গর করে ঢেউফুল, আমাকে তোমার কাছে রেখে এসে এখন কামনা করছিস্ব-কামের অপরাধে তাই বুঝি তিনি দন্ড দিলেদূরেই থাকলে তুমিআমি শিকারীর ফসকে যাওয়া নিশানা হয়ে ঢুকে যাই আরও গাঢ় বনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *