woman in black shirt wearing black sunglasses

নৈঃশব্দের শুরু

তোমাকে খুঁজতে খুঁজতে মার্বেলের মতো ছুঁড়ে  দিয়েছি বেলা
দেবদারুর গায়ে নেমে এলে কিন্নর বিকেল
চিবুককে বলেছি ভয় পেওনা
অতোটা নিঃসঙ্গতা তোমাকে ছোঁবেনা।
….আর তুমি 
আমাকে  বাজেয়াপ্ত করে
পিয়ালের বনে গাঢ় শুয়ে আছো অনভিপ্রেত ঘুমে
আমার সমস্ত ভালোবাসা 
গলাকাটা মোরগের মতো কাতরাচ্ছে তোমারই  সিথানে  
যেনো ব্যাকুল কোনো কবিতাদৃশ্য
আলোড়ন তুলে নিভে যাবে নির্লিপ্ত, নীরব 
শব্দের কোঁচকানো ঢেউ, পাশেই ক্লান্ত টঙ্কার
নিষ্প্রভ আয়ুরেখা থেকে উঠে আসা
একটা সদাব্যস্ত দীর্ঘশ্বাসে জেনেছি  এভাবে  নিভে যাওয়াই নিষ্ঠা।

Similar Posts

  • অন্যমনস্ক পাতারা

    কোথাও যাবোনা, দুজন বসে থাকবো পাতাদের ঝরা শব্দেবিকেলের দিকে হেলে যাবো কিছুটামানুষের পায়ের কান্নায় যে পথ ভিজে ভিজে গেছে সারা দুপুরতার কাছে ,ফিরবো শুনশান নীরবতাকোথাও যাবোনা, শুধু বসে থাকবো দুজনেআরও অনেক দুজনার মধ্যে।

  • কবি

    সভাঘরের এককোণে আপনার সবচেয়ে সুন্দর ছবিটা টানিয়ে আলোচনা হচ্ছেকিছুক্ষণ আগে আপনাকে আবৃত্তি করেছেন একজন সুন্দরী রমণীযার চিবুকে একটি গাঢ় তিল আছেতিলটা সম্ভবত আপনার জীবনের মতো ক্ষুদ্র এবং তার সৌন্দর্য কবিতার মতো বিস্তৃতআপনি শুনতে পাচ্ছেন?ওরা বলছেআপনার কাগজে উড়ে বেড়াতো ঝাক ঝাক সোনালী পাখিশুনেছি আপনার প্রেমিকার কিছু স্বপ্ন ছিলো বেঁচে থাকার দিনে আপনার পায়ের জুতোটা ছেঁড়া ছিলো!

  • আলো 

    মাধ্যমিকে ফেল করার পর বাবা বলেছিলেন তোর ভাগ্যে অন্ধকার আছে চলে যাওয়ার দিন তুমি  বললে-তোমার কোনো দোষ নেই আমার ভাগ্যে তুমি নেইসেই থেকে আমি শহরকে তন্ন তন্ন করে ভাগ্য খুঁজি পেয়ে যাইশ্রী তারকেশ্বর ভোলানাথ ব্র্যাকেটে জ্যোতিষ বিদ গ্রহ নক্ষত্র বিশারদকেতিনি বলেন সমস্ত লেখা আছে হাতের মুঠোয় আমি হাত মেলে দেইহাতের তালুতে  বেগোনভিলিয়ার মতো ছেয়ে থাকা রেখা   দেখিয়ে জানতে…

  • খাঁচা

    এখানে কোথাও মুক্তি নেইদেহের চুনকামে আবদ্ধ আত্মা বিধ্বস্ত ডানায়এখানে পাখিরাও আত্মহত্যাপ্রবন অধীর কান্নার স্রোতআয়ত চোখে উদগ্রীব অন্ধকার কেড়ে যে যা নিয়ে যায় তা ফিরিয়ে দেয়া কি এতো সহজ! জীবন্ত চিতায়  মুখাগ্নি রোজনীরব নীরবতায় অভিমানের হৈ চৈহাতের রেখায় অনন্ত ক্ষয় জানি এ পৃথবীতেসুখের মিছিল সার্বজনীন নয়। এইখানে বিছায়ে রেখো পাঁজরআমি ফিরিবোদিনশেষের কোলাহলে নিজেরে থুয়েএইখানে, তোমার কাছেওগো আন্ধার…

  • কাঠঠোকরা

    আমাকে তুমি বলে দিতে পারো বলে থামিয়ে দিলে কোলাহলওভাবে বহুদিন কেউ স্পর্শ করেনি আমায়যেভাবে তোমার পাঁচটা আঙুল কিনে নিলো অবলীলায়কেউ বললো অন্যায় করছিস, করছিস অযাচারশুধু এইটুক জানতামকাঠঠোকরার মতো পাঁচটি আঙুল খুঁড়ে চলেছে হৃদয় আমারভালোবাসছি আবারশুধুমাত্র সেই পাঁচটা আঙুলকে তোমারযেখানে আমি রাখতে চেয়েছি এতোকালএকটা নির্জন রাতের অনাহারএকটা বিচ্ছিন্ন সমুদ্রতটঅনাহত প্রবল ঝড়,গুড়ো কান্নার দমকএকটা ঝরা পলাশের দলিত…

  • পার্বন বেলা

    অনেক স্রোতের পর এখানে স্থিতধী হাওয়াদুরন্ত সেসব ঢেউ পড়ে আছে শৈশবের দাওয়ায়এখন বেলা অস্তগামী, ফিকে হয়ে আসা রঙেদৈর্ঘ্য প্রস্থ বেড়েছে জামার,বেড়েছে দূরত্ব আনন্দবেলার এখনো এখানে বাবা বাড়ি ফেরেন ব্যাগভর্তি হুলস্থুল নিয়েবাড়ি থেকে ওইটুকুই তো দূরত্ব ঈদগাহ’রহঠাৎ পরিচিত কোনও রান্নার ঘ্রাণে সাড়া ফেলা মায়ের পুরোনো প্রণয় যেমন কথা বলেপার্বনের দিনে এমনই হেঁটে আসে ব্যথা, উঠে আসে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *