white black and yellow bird on tree branch

কাঠঠোকরা

আমাকে তুমি বলে দিতে পারো বলে থামিয়ে দিলে কোলাহল
ওভাবে বহুদিন কেউ স্পর্শ করেনি আমায়
যেভাবে তোমার পাঁচটা আঙুল কিনে নিলো অবলীলায়
কেউ বললো অন্যায় করছিস, করছিস অযাচার
শুধু এইটুক জানতাম
কাঠঠোকরার মতো পাঁচটি আঙুল খুঁড়ে চলেছে হৃদয় আমার
ভালোবাসছি আবার
শুধুমাত্র সেই পাঁচটা আঙুলকে তোমার
যেখানে আমি রাখতে চেয়েছি এতোকাল
একটা নির্জন রাতের অনাহার
একটা বিচ্ছিন্ন সমুদ্রতট
অনাহত প্রবল ঝড়,গুড়ো কান্নার দমক
একটা ঝরা পলাশের দলিত জীবন
একটা আস্ত আমাকে
তোমাকে নয়, চাইছি
শুধু মাত্র পাঁচটা আঙ্গুলকে তোমার ভালোবেসে আমার।

Similar Posts

  • ভীতি

    ব্ল্যাঙ্ককলে উড়ে আসা ভীতির মতো জাপটে রেখেছোএকদা ভালোবেসেছিলে –যতোটা বাসলে নিঃশ্বাসও বিষাক্ত হয় …আর আমি আছি এখানেচারকৌনো টেবিলে বেড়ে রালহা জড়ানো ভাতযার শরীর থেকে উড়ে যাচ্ছে উত্তাপবড় বিষাদ নিয়ে আমাকে গিলছে সময়।

  • বিস্মৃতির কোলাজ

    অনেক খুঁজেছি!কোথাও পাইনি!জলের বুকে আচড় কেটে ক্লান্তএবার ফিরতে হবেভাঙা কবিতার গুঞ্জন নিয়ে থেমে যায় সমস্ত নীরবতাকার্ণিশে বিস্মৃতির অতলান্ত কোলাজ!কাল অবধি যাকে চিনতাম আজ আর তাকে চিনতে না পারলে অবাক হইনাসেই নাম লিখে দিই ঝরা পাতার বুকেনিরুদ্দেশের কোল ঘেষে উড়িয়ে দিই কালো ডানার প্রজাপতিআমার ভেতর প্রতিটি আমিই একা!সিগন্যালে দাঁড়ানো সন্ধ্যারবিষাদ সংলাপেতোমাকে ভাবিনা আরঅনন্ত ইথারে ছুঁড়ে দেই…

  • মুখোশ

    ঝুড়ি বটতলায় বসে পুরিয়া সাজাতে সাজাতেজীবনের গল্প করে ওরাঅভিজাত বেডরুমে সুইসাইড নোট লিখতে লিখতে ঘুমিয়ে পরে মেয়েটাবুকের ভেতর নিশ্চিত ঝরঝরে অসুখ নিয়েপ্যাপিরাসের পাতায় পাতায় বর্ণিল মৃত্যু আঁকে কবি।গভীর রাতে শহরগুলো শয্যা হয়ে যায়,নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে থাকেন ঈশ্বর।সুখ কুড়িয়ে বাড়ি ফিরে থু থু ফেলতে ফেলতেবউটাকে বেধড়ক পেটায় বদ্ধ মাতাল।জীবনের মানচিত্র জুড়ে কর্কশ নিশ্বাঃস!ভোর হলেই খুলে যায় পৃথিবীর…

  • দেখা অদেখার মধ্যে

    কিছু কথা থাক,যেগুলো বলা হলোনা বলে আবার কথা হয়ে যাবে।কিছু দেখাও থাক,ঠিকঠাক দেখা হলোনার অজুহাতে ফের দেখা হয়ে যাবে। হয়তো কোনো অর্থহীন নীরবতার ভেতর বসে থেকে দুজনেই বাড়ি ফিরে যাব।হয়তো অন্যদিকে তাকিয়ে তাকিয়ে সামনে থাকা তোমাকে দেখতে পাবোনা কখনও। বিকেলের আলোয় তোমার মুখটা পুরোটা পড়তে পারিনি বলেই সন্ধ্যার ছায়ায় আবার তোমাকে খুঁজতে চাইবো!পাবোনা কোথাও।শুধু থেকে…

  • স্টেশন

    তুই কখনো আমাকে চাসনি,না চেয়েই আমি পুরোটা তোর।অথচ সেজুতি জানেনা তার পাবার অহংকারে কেবলই ফাঁকি।স্টেশনের ক্ষীণ আলোয় চমকে উঠলাম, ভুল দেখছিনা তো!তুই এসে সহাস্যে জনতে চাইলি “কেমন আছ অরুণদা? “গলায় ঢেলা পাকানো অন্ধকার ঠেলে কেবল বলতে পারলাম “ভালো “!একমুহুর্তের জন্য কী পৃথিবীটা এসে থমকে রইলো আমার চারপাশে?বুকের ভেতর এতো কাছাকাছি থাকিস তুইঅথচ হাতছানির দূরত্বে দাঁড়িয়ে…

  • ছাপ

    খুব কাছ ঘেষে দাঁড়ালে আজও হাত কাঁপে অথচ মুছে গেছি কতোদিনভীষণ আগুন জ্বেলেদুজনে আলগোছে, দু’দিকে।এখন ভালোবাসার রাত নামে হাভাতে অন্ধকারে ক্ষুধার্ত শিশুর পেটেপাশ দিয়ে হাঁকিয়ে যায় লাস্ট লোকাল, কোলাহল, মানুষতোমার জানালার শীতার্ত ঢাকনা খুলে ওম খুঁজে নক্ষত্রের ছায়াআমাদের কথা ভেবে চির অসুখী প্রেমিকার বুকের খাঁজে জমে শ্যাওলানাভীর চারপাশে উল্লাসে ফেটে পরে ক্ষুধার্ত শিশুর হাহাকারউরুর বৃত্তে পাক…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *