white and black digital wallpaper

আলো 

মাধ্যমিকে ফেল করার পর বাবা বলেছিলেন তোর ভাগ্যে অন্ধকার আছে 
চলে যাওয়ার দিন তুমি  বললে-
তোমার কোনো দোষ নেই আমার ভাগ্যে তুমি নেই
সেই থেকে আমি শহরকে তন্ন তন্ন করে ভাগ্য খুঁজি 
পেয়ে যাই
শ্রী তারকেশ্বর ভোলানাথ ব্র্যাকেটে জ্যোতিষ বিদ গ্রহ নক্ষত্র বিশারদকে
তিনি বলেন সমস্ত লেখা আছে হাতের মুঠোয় 
আমি হাত মেলে দেই
হাতের তালুতে  বেগোনভিলিয়ার মতো ছেয়ে থাকা রেখা   দেখিয়ে জানতে চাই
বলুনতো এখানে কোথায় আলো পাওয়া যাবে!

Similar Posts

  • শহরে বৃষ্টি নামলে

    শহরে খুব বৃষ্টি নামলে আটকা পড়ে যাই তোমার ভেতরভিজে একসা বর্ষাতিতে যেতে থাকি তোমার  দিকে। তুুমি নেই, তবু শতাব্দীর তোরঙ্গ পেটরায় কিছু প্রেম এখনোকিছু থেতলে গেছে অচেতনকোলাহলের দিকে যেতে যেতে নিঃসঙ্গতায়। আমাদের চুম্বন এখনো লেগে আছে পুরনো ছাদে, শ্যাওলা ধরেছে অনেক বর্ষায়স্পর্শগুলোতে গজিয়েছে ব্যাঙের ছাতার মতো নয়া ত্বক। আমার  সমস্ত  ভ্রমণ আজও তোমার  বুকে।তোমাকে উদ্দেশ্য করেই…

  • হেমন্ত

    সেবার হেমন্তের শেষে কথা ছিল মুখোমুখি হবারকোথা হতে আসা এক অবিরাম অনর্গল দূরত্ব আমাকে নিয়ে গেলোতোমার কাছ থেকে দূর বহুদূর। চিরটাকালই ভীষণ নীরব তুমিসবার মতো আমিও করেছি তার ভুল অনুবাদ। তারপর! তারপর কেটে গ্যাছে বহুকালঅনেকগুলো শ্রাবণ পেরিয়ে আমি শিখেছিভালোবাসা কেবল প্রেমিক কিংবা প্রেমিকা নামক সম্পর্কের নাম নয়পৃথিবীর সকল মানুষের সংগে মানুষের অদৃশ্য সম্পর্কেরও নাম। 

  • অন্ধকারের জার্নাল

    ১.ক্ষুধার পরিসরে ক্রমান্বয়ে ফুটপাত বদল করে মানুষের ভেতর মৃতবৎসা জীবন। কবর এক লৌকিক সমাপ্তি, যারও আগে নিভে যায় প্রাণ।২.প্রত্যেক ভ্রমণ শেষে দাঁড়িয়ে থাকা একই দিকে। ঘুঙুরের শরীর জানে কতো আঘাতে তার ঝংকার। বাঈজির নিভৃতে মানুষের ব্যথার কী আশ্চর্য নিনাদ।৩.মেঘলা তরুণীর দিন ঝরে গেলো বৃষ্টির শরীরে। করোটির কালো শ্যাওলায় ছোট্ট বাড়ি। সূর্য ডুবে যায়।৪.চিনতে এতোটুকু ভুল…

  • শরীর ভেজা দিনে

    শরীর ভেজা দিনে* থামতে থামতে ভেসে গেছি, ঢেউ বলেছে এসোবৃক্ষ শাঁখায় ব্যথার বেশে মানু‌ষের মুখওপাতায় দুলছে হাওয়া,ঝরছে বুক ঢলোঢলো-হৃদয় মর্মর মাটি, পায়ের তালু তৃণ অইতো সর্বনাশের নদী-খোলা মাঠে উদোম গায়ে ছুটছে জীবন ঝুঁকিনগ্নতাকে আঁকড়ে ধরে বাজছে বীণা ধ্রুপদলহর থেকেই আসছে ভেসে বধ করা অসুরবসে আছো  ভোরের ভেতর  ধোঁয়ায় উড়া মাছি, কতযুগ পরের তুমি, কত যুগের আমি?আমরা…

  • জীবন সংক্রান্ত

    সব্জির দোকানে ছেটানো জলমাংসের দোকানে লেগে থাকা রক্তের ভিড় ভালোলাগেনা আমারভালোলাগেনাভেজানো ছোলায় ফেঁপে ওঠা রাক্ষসকরমচা চোখযাপনের আটপৌড়ে আলনায় ঝুলে থাকা বাহারি জামা। আমি এসব থেকে দূরে যেতে চাই। চাদরের ঝুল বেয়ে নেমে যায় কচ্ছপ রাতমেঝেতে ছড়ানো রিপুর কাঁদমাটি মাড়ানো পা ভিজতে থাকে বর্ষায় আমি শুধু তোমাকে ভাবি,মুঠোয় করে আনি সমুদ্রশ্বাসঅথচ তুমিও মানবিকঅমানবিক কানাঘুষা ছুড়ে মারো আমার মুখে এই বলে স্বান্তনা…

  • নেকরোফিলিয়া

    ১প্রলেতারিয়েত হাঙরের দাঁতে ঘুমিয়ে পড়েছে শরৎফ্যান্টাসি জুড়ে কালো রঙের মাইম, জোকার মঞ্চঅস্তিত্বের ওপর ঝুঁকে আধোলীনসূর্যাস্তের দিকে তাকিয়ে থাকা অন্ধকারপ্রিয় জানালাতোমার ভঙ্গিমা এড়িয়েক্ষুধা আমাকে ফেরি করে পৃথিবীময়।২এখানে আধোছায়ামাংসের মর্মরে ভাঙার আওয়াজধাতুফলকের বিচূর্ণ রঙে উড়ে যাচ্ছিকুহকে, অন্তরালে পালকের নরম কাটছে দাঘ্রিমাতোমাদের শহরে আমার স্বাধীনতা মিথের পতাকা। ৩আগুন আর পোড়াচ্ছেনাগড়ে নিচ্ছে কঠিনএখন সকল আঘাতই ঝঙ্কারতথাপি আমার শরীরে বিরহ খোদাই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *