focus photo of brown sand

চর

আমিতো চিরকাল পড়ে আছি এই ভ্রুকুটি চরে
পাখি উড়ে গেছে, ঝরে গেছে বিবিধ গৃহস্থালী
নাচের মুদ্রা ভেঙে গেলে ঢেউয়ে
সারেঙের চোখ ফিরেছে তার ঘরে
পলি হয়ে জমেছি ফসলি ক্ষেতের ধারে
শস্যের আলো কড়া নেড়ে জাগাবে জেনে
ঘুমিয়েছি কৃষকের মনে
জাগায়নি সে, স্রোত এসে ভাঙিয়েছে আমারে
প্রয়োজনে তুলেছে জল জনপদের ঝোপঝাড় থেকে উঠে আসা স্বজন
আমিতো চিরকালই পড়ে আছি এমন।

Similar Posts

  • রূপ

    সে পুরুষতার পেশীর দৃঢ়তা, যেনো কোনও দ্বীপ জাগলো আড়মোড়া ভেঙেযেনো কোনও আলো জলাধারেপানকৌড়ি হয়ে আমি ডুব মারি সে সুন্দরে।সে চোখ তাকিয়েআমার আঙুল সুর তুলে নেয় একতারায়তুমি দেখোনি তাকেতার শরীর তেপান্তরের মাঠআমি সারারাত জেগে বাঁশি বাজাই।

  • শহর

    এ শহরের গলিতে গলিতে গোঙায় সদ্যজন্মা প্রেমকর্পোরেট আলিঙ্গনে হোঁচট খায় বুক।তোমাদের রঙচঙা সো কলড অাভিজাত্য ঢেকে দেয় জীবনের সহজ স্বাভাবিক কৈশোরএখানে বিস্মৃতির সীমানায় হা-হুতাশে ভারী হয়ে উঠে বাতাসপাখিদের চোখে বৃষ্টি খুবগাছেরাও অভিমানে ফিরিয়ে রাখে মুখ।তোমাদের কবিতার ভেতর বাসা বাঁধে গুইসাপভালোবাসার হাত গিলে ফেলে নিকেষের শান্ত কুমিরযোগ্যতার সফরে যুগান্তকারী সম্পর্কের জাল, সফলতার নির্মেঘ আকাশশীতলতার বিক্ষোভে প্রতিবাদের…

  • তোমাকে পান্থশালা ভেবে

    তোমাকে পান্থশালা ভেবে ঢুকেছিলো যে তুমি তার মাথাটাকে চিবিয়ে খেলে। অতোটা অনৈতিক না হলেও পারতে,প্রয়োজন ছিলোনা অবতারণার অনর্থক একটি শব্দের । হৃদপিন্ডের দাঁতগুলো নেকড়ের মতো, হাতগুলো শিকারী বাঘ। যখন তুমি তার সবচেয়ে নরম অংশটাকে চিবিয়ে খাচ্ছিলে এক বৃদ্ধা ক্যারল গাইছিলেন ঈশ্বর কুটিরে।ধর্মাবতাররা জানতেন না পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর চোখ  ছিলো  দীনহীন কুড়েঘরেরএকজোড়া মানুষকে কখন আগুনের মতো…

  • ভাঙা দেয়ালের ফাঁকে

    ভাঙা দেয়ালের ফাঁকে আলো এসে পরে খোলস ভাঙতে ভাঙতে ক্লান্ত হাতুড়ি ডানা ভাঙা চোখে চেয়ে থাকে বিহ্বল।গভীর চুমু আঁকার আগেই মুছে যায় হরিয়ালি দুপুর, সম্পর্কের সুদিন।অন্ধকারের মায়ায় উবু হয়ে ঝুলে থাকা দিনগুলোবিবর্ণতার কোল ঘেষে উছলায়বিষণ্নতা মুখর নদীতে নৌকা বায় হাড় জিরজিরে মাঝি।ঠিকানার খোঁজে বিবমিষার সহস্রাব্দ কাটিয়ে দেয় হাড়মাংসের এককফুলস্কেপ কাগজে আলুথালু শব্দেরা ঘুরিয়ে ফিরিয়েজানতে চায়,…

  • শরীর ভেজা দিনে

    শরীর ভেজা দিনে* থামতে থামতে ভেসে গেছি, ঢেউ বলেছে এসোবৃক্ষ শাঁখায় ব্যথার বেশে মানু‌ষের মুখওপাতায় দুলছে হাওয়া,ঝরছে বুক ঢলোঢলো-হৃদয় মর্মর মাটি, পায়ের তালু তৃণ অইতো সর্বনাশের নদী-খোলা মাঠে উদোম গায়ে ছুটছে জীবন ঝুঁকিনগ্নতাকে আঁকড়ে ধরে বাজছে বীণা ধ্রুপদলহর থেকেই আসছে ভেসে বধ করা অসুরবসে আছো  ভোরের ভেতর  ধোঁয়ায় উড়া মাছি, কতযুগ পরের তুমি, কত যুগের আমি?আমরা…

  • রেইন রেইন গো এওয়ে

    তোমারে ব্যথায় রেখে আমি একাই হাঁটি। শহর দাঁড়ায় থাকে বৃষ্টি মাথায়। কোথাও হয়তো দূরেই বাচ্চারা চিৎকার করে রেইন রেইন গো এওয়ে! আমি কোথায় যাবো ভেবে তোমারে দুঃখ দেই। শহরের দুই একটা পুরুষ আমারে ধাক্কা মেরে চলে যায়। আমি দাঁড়ায় থাকি। বৃষ্টি মাথায় হাঁটতে হাঁটতে দেখি জারুলের থোকা। জারুলের মতোন তুমিও কি এতোটা বেগুনী হও আমার…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *