a bare tree with no leaves on it

তোমাকে পান্থশালা ভেবে

তোমাকে পান্থশালা ভেবে ঢুকেছিলো যে তুমি তার মাথাটাকে চিবিয়ে খেলে। অতোটা অনৈতিক না হলেও পারতে,প্রয়োজন ছিলোনা অবতারণার অনর্থক একটি শব্দের । হৃদপিন্ডের দাঁতগুলো নেকড়ের মতো, হাতগুলো শিকারী বাঘ। যখন তুমি তার সবচেয়ে নরম অংশটাকে চিবিয়ে খাচ্ছিলে এক বৃদ্ধা ক্যারল গাইছিলেন ঈশ্বর কুটিরে।
ধর্মাবতাররা জানতেন না পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর চোখ  ছিলো  দীনহীন কুড়েঘরের
একজোড়া মানুষকে কখন আগুনের মতো দ্যাখায় 
একটি নীল গাউনকে দেখতে উদ্যানের মতো,আফ্রোদিতির নেশার মতো    হৃদপিন্ডকে দ্যাখতে তোমার  মতো
যে একদিন চিবিয়ে খেয়েছিলো তার মাথা!

Similar Posts

  • লিলিথের ডানা

    খুব তৃষ্ণা পেলে দু’হাতের আঁজলা ভরে তোমাকে তুলে নেবো ঠোঁটে, ভ্রুণ ভেঙে শৈল্পিক কারুকার্যেগহন উদার নিসর্গে তোমাকে দেবো হঠাৎ বিকেলমাথা থেকে পায়ের নখ জীভের তুলি আঁকবে প্রেমের শরীর।যেখানে এতোকাল খেলেছেন ঈশ্বররহস্যময় ঘুলঘুলিতে আমরা হাতড়ে ফিরেছি অন্ধকারের উর্বর জমিআমাদের দ্রাঘিমাংশের ক্ষয়ে যাওয়া অলীক আলোবাতাসের মালহারে উদ্বেলিত গোপন বিষাদের রীড অসুখের কোটরে তরতর করে বিস্ময়ের দ্যোতনায় নিজেকে…

  • কঙ্কাল

    সুবিধাভোগী ধারালো দাঁত ছিবড়ে খায় মুরগির ঠ্যাং, রাশিয়ান ভদকাএতো রোশনাই! এতো আলোয়লকলকে জীভ কুকুরের মতো চাটে লোভের চিবুকের তিলবিকিয়ে যায় মুন্ডুহীন কঙ্কালআহা! কী মোহময়ক্ষমতার উদ্ধত বুকএনাকোন্ডার মতো মুখে পুরে আস্তে আস্তে গ্রাসআরাম করে ভীষণ ধীরে ধীরে ধীরে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি অনেক কিছু করবার আছে আপনার কী কিছু দেবার আছে?“শোন কালু তোর বউটা তো দারুণ সুন্দরীযা হাজার টাকা বাড়িয়ে দিলাম…

  • নাকছাবি

    কুপির আলোয় নাকছাবিডার দিকে চাইয়া থাকিরাইত বাড়নের লগে লগে কইলজার ভিত্রে তুমি জিওল মাছের লাহান উছলাওআমারে এমুনতরো এক্লা লাগে ক্যান?বড় পাগল পাগল লাগেবুকের ভিত্রে উছলায় তিন পরাণের গাঙরাইতগুলা রাক্ষসের লাহান আমারে খায়া ফালাইতে চায়!আন্ধারের লগে কথা কইতে কইতেতুমার কিচ্ছা হুনাইতে হুনাইতেআমি খালি উতলা হইআসমানের কাঁন্দনের লগে আমিও কাঁন্দিনিজেরে নিজেই কই-আমার একখান চাওয়া আছিলো, হুনবা?একটা জীবন…

  • ভাঙা দেয়ালের ফাঁকে

    ভাঙা দেয়ালের ফাঁকে আলো এসে পরে খোলস ভাঙতে ভাঙতে ক্লান্ত হাতুড়ি ডানা ভাঙা চোখে চেয়ে থাকে বিহ্বল।গভীর চুমু আঁকার আগেই মুছে যায় হরিয়ালি দুপুর, সম্পর্কের সুদিন।অন্ধকারের মায়ায় উবু হয়ে ঝুলে থাকা দিনগুলোবিবর্ণতার কোল ঘেষে উছলায়বিষণ্নতা মুখর নদীতে নৌকা বায় হাড় জিরজিরে মাঝি।ঠিকানার খোঁজে বিবমিষার সহস্রাব্দ কাটিয়ে দেয় হাড়মাংসের এককফুলস্কেপ কাগজে আলুথালু শব্দেরা ঘুরিয়ে ফিরিয়েজানতে চায়,…

  • অসহ

    ১  . এই নীরবতা জানে ,কেমন করে ভাঙছে সকালের কোলাহল |এই নীরবতা জানে ঘন পাইনের বনে মুহুর্মুহু হাওয়া |আমি তো বেরসিক |কখনো জানিনি চুরমার ভেঙে গেলে কত | তোমার পৃথিবীর ক্ষীণ হাওয়ায় দুলে দুলে নিঃশ্বেষ| আমাকে মৌন করো |শব্দের অভিশাপে নুঁয়ে  গেছি আরও | হৃদয়ের ডানাগুলো উড়াল ভুলে হাঁসফাঁশ |তোমার দরজায় এসে দাঁড়িয়েছি |মাধুকরী আমি, মুষ্ঠিহীন ফেরত যাবনা একচুল| সারা নদী বয়ে গেছে মুহূর্তের কোলাহলে |ঢেউগুলো অবিরত| রাস্তায় ,বাড়িতে মানুষের ভিড় |অথচ…

  • অন্তর্গত মসনদে

    যেনো নাচছি সকল মুদ্রায়সঠিক আর ভুলের চর্চায় ঘন উস্তাদজীদের ভীড়ে কেবল একটা হাততালির প্রত্যাশায়জন্মের কাছে জিম্মি হয়ে নাচছি পর্ণ কুটির ধারের পথের মতো কাঙাল এ প্রত্যাশাএ প্রত্যাশা তৃষ্ণার্ত উটের কুব্জের মতো বেঢপ নাচতে নাচতেমনোরঞ্জনের এ আসরে ব্যর্থ ভাঁড় আমিদাঁড়ায় রয়েছিদরোজার বাইরে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *