grayscale photo of persons hand

ছাপ

খুব কাছ ঘেষে দাঁড়ালে আজও হাত কাঁপে 
অথচ মুছে গেছি কতোদিন
ভীষণ আগুন জ্বেলে
দুজনে আলগোছে, দু’দিকে।
এখন ভালোবাসার রাত নামে হাভাতে অন্ধকারে ক্ষুধার্ত শিশুর পেটে
পাশ দিয়ে হাঁকিয়ে যায় লাস্ট লোকাল, কোলাহল, মানুষ
তোমার জানালার শীতার্ত ঢাকনা খুলে ওম খুঁজে নক্ষত্রের ছায়া
আমাদের কথা ভেবে চির অসুখী প্রেমিকার বুকের খাঁজে জমে শ্যাওলা
নাভীর চারপাশে উল্লাসে ফেটে পরে ক্ষুধার্ত শিশুর হাহাকার
উরুর বৃত্তে পাক খায় কতিপয় উজ্জ্বল ছায়া, অতর্কিত বিরোধ
আত্মচিৎকারের ধ্বনিগুলো ভ্রমণ শেষে ফেরে আপন আলয়ে
দ্রাক্ষার নেশায় বিভোর মস্তিষ্কে বেওয়ারিশ শবগুলো সপাটে আকড়ে ধরে হাত
বিচারের আদালতে
নিষিদ্ধ হয় গোপন চুমুর শিহরিত তিল
যেভাবে একদিন মুছে গিয়েছিলাম আমরা
সহজবুকে ঢুকে গিয়েছিলো বহুগামী ট্রেন
সেভাবে একটু একটু করে রাস্তা থেকে মুছে যাচ্ছে পায়ের ছাপ!

Similar Posts

  • ভীতি

    ব্ল্যাঙ্ককলে উড়ে আসা ভীতির মতো জাপটে রেখেছোএকদা ভালোবেসেছিলে –যতোটা বাসলে নিঃশ্বাসও বিষাক্ত হয় …আর আমি আছি এখানেচারকৌনো টেবিলে বেড়ে রালহা জড়ানো ভাতযার শরীর থেকে উড়ে যাচ্ছে উত্তাপবড় বিষাদ নিয়ে আমাকে গিলছে সময়।

  • এ শহরের গলিতে গলিতে

    এ শহরের গলিতে গলিতে গোঙায় সদ্যজন্মা প্রেমকর্পোরেট আলিঙ্গনে হোঁচট খায় বুক।তোমাদের রঙচঙা সো কলড অাভিজাত্য ঢেকে দেয় জীবনের সহজ স্বাভাবিক কৈশোরএখানে বিস্মৃতির সীমানায় হা-হুতাশে ভারী হয়ে উঠে বাতাসপাখিদের চোখে বৃষ্টি খুবগাছেরাও অভিমানে ফিরিয়ে রাখে মুখ।তোমাদের কবিতার ভেতর বাসা বাঁধে গুইসাপভালোবাসার হাত গিলে ফেলে নিকেষের শান্ত কুমিরযোগ্যতার সফরে যুগান্তকারী সম্পর্কের জাল, সফলতার নির্মেঘ আকাশশীতলতার বিক্ষোভে প্রতিবাদের…

  • আলো 

    মাধ্যমিকে ফেল করার পর বাবা বলেছিলেন তোর ভাগ্যে অন্ধকার আছে চলে যাওয়ার দিন তুমি  বললে-তোমার কোনো দোষ নেই আমার ভাগ্যে তুমি নেইসেই থেকে আমি শহরকে তন্ন তন্ন করে ভাগ্য খুঁজি পেয়ে যাইশ্রী তারকেশ্বর ভোলানাথ ব্র্যাকেটে জ্যোতিষ বিদ গ্রহ নক্ষত্র বিশারদকেতিনি বলেন সমস্ত লেখা আছে হাতের মুঠোয় আমি হাত মেলে দেইহাতের তালুতে  বেগোনভিলিয়ার মতো ছেয়ে থাকা রেখা   দেখিয়ে জানতে…

  • মুখোশ

    ঝুড়ি বটতলায় বসে পুরিয়া সাজাতে সাজাতেজীবনের গল্প করে ওরাঅভিজাত বেডরুমে সুইসাইড নোট লিখতে লিখতে ঘুমিয়ে পরে মেয়েটাবুকের ভেতর নিশ্চিত ঝরঝরে অসুখ নিয়েপ্যাপিরাসের পাতায় পাতায় বর্ণিল মৃত্যু আঁকে কবি।গভীর রাতে শহরগুলো শয্যা হয়ে যায়,নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে থাকেন ঈশ্বর।সুখ কুড়িয়ে বাড়ি ফিরে থু থু ফেলতে ফেলতেবউটাকে বেধড়ক পেটায় বদ্ধ মাতাল।জীবনের মানচিত্র জুড়ে কর্কশ নিশ্বাঃস!ভোর হলেই খুলে যায় পৃথিবীর…

  • বৃত্ত

    ছত্রাকে ছত্রাকে ঢাকা জনম আর  অপুষ্টিজনিত মৃত্যুর পাশে তুমি কাল্পনিক শ্লেষঅজস্র হত্যার সাবলীল পরিহাস,ইতিকথার শেষখন্ড। কু-আশা ঘেঁটে স্পষ্ট অক্ষরলতায় যে শব্দ,আঙুলের নয়অলক্ষ্যের ইঙ্গিতে যে যোগাযোগসেখানেই সত্যপ্রেম, ভালোবাসা,সঙ্গম  অথবা ঘৃণা। তোমার মিথ্যাচার হেঁটে ক্লান্ত অন্তত যতিচিহ্নের বিরাম দাও! কম্পাস ভুল করা সন্ধ্যা,চেনা ঢেউবিষণ্ন প্রেমিকাদের নীচু স্বর আর সুন্দরী নদী থেকে ফুরসত মিললেফিরতে ফিরতে ভুলে যাওয়া ছাতার পাশে   ফেলো এসো…

  • বিকেল

    তোমাকে পাবার প্রত্যাশায় রোদগুলো মরে যাচ্ছে শহুরে গ্রাফিতিতেউচু মিনার থেকে হামগুড়ি দিয়ে নামছে অন্ধকার।শুধু পূর্বাভাস শুনেচায়ের কাপে গড়ানো সময় আর অন্ধকারবসে থাকছে একরোখাআমি ডুবে যাচ্ছি একটা চুপচাপ বিকেলেবুকের খুব কাছ ঘেষা ধুকপুকেযেনো তুমি বসিয়ে রাখছো খুব পাশে!এই যে তুমি বসিয়ে রাখছোআমার থেকে দূরেআমার রোদগুলো ঢেকে যাচ্ছেমানুষের দুর্বিষহ পথের স্মৃতি বুকে নিয়ে পুরনো হচ্ছে আমার জুতোগুলো…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *