man in black shorts standing on beach shore during daytime

যে এলোনা

কে যেনো বলছিলো
এখানে আর দাঁড়াবেন না
সন্ধ্যে হয়ে এলো দিদি
এবার বাড়ি যান।

.
একটা নিস্তব্ধ নীরব জীবন নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলাম। 
ধুলোর মতো মিশে গিয়েছিলাম 
ভীড়ের মধ্যে
একটুকরো ঘরে, চেনা রাস্তার অচেনা মোড়ে।
কত লোকই তো হারে
আমিও হেরে গিয়েছিলাম
মানুষ ভেবে চেনা মুখের কাছে।

.
সেদিন নোনাধরা  দেয়ালের গা ঘেষে পুরনো আমি দাঁড়িয়েছিলাম একটা নতুন পথের সন্ধানে। 
আমি দাঁড়িয়েছিলাম সমাজ সংস্কারকে অস্বীকার করবার  দৃষ্টতা নিয়ে
আমি দাঁড়িয়েছিলাম ধুলোবালির জীবন আর সাদামাটা কিছু স্বপ্ন নিয়ে। 
আমি দাঁড়িয়েছিলাম ফুল পাখি সমেত ছোট্ট একটা পৃথিবী নিয়ে।

.
সেদিন তুমি এলেনা!
খুুব অবাক হলাম না
কেবল দেউলিয়া হলো দীর্ঘ রাত

বিশ্বাসঘাতক প্রেমিকাকে ভালোবেসে আমি কোনো প্রেমিককে কাঁদতে দেখিনি
বিশ্বাসঘাতক প্রেমিককে ভালোবেসে  আমরা কেঁদেছি বারংবার।

.
ভালোবাসা এক অনন্ত যাত্রা
দীর্ঘ যাত্রায় ক্লান্ত তুমি! 
সেদিন রেজিস্ট্রি অফিসের বারান্দায় তোমার ক্লান্তি মেখে জমেছিলো গভীর গাঢ় অন্ধকার
আমার বাড়ি ফেরার পথে 
খুব বেশী কিছু ছিলোনা হারাবার
শুধুমাত্র সমস্ত জীবন জড়িয়ে গেলো বারান্দার সেই গভীর গাঢ় অন্ধকার। 

Similar Posts

  • প্রাক্তণ

    প্রাক্তণ প্রেমিকেরা সাধারণত কখনো প্রিয় হয়নাস্মৃতি ঘাটলেই মনে হয় কোনো লাশকাটা ঘরে ঢুকে পড়েছিযেখানে ছিন্নভিন্ন বিভৎস দেহ নিয়ে পড়ে আছে ভালোবাসার শবযেখানে ঠান্ডা নীরবতা আর মৃত মৃত গন্ধে  আটকে আসে দম অথচ সে আমার  ভীষণ প্রিয়শীত সকালে জড়ানো ওমওম চাদরের মতো প্রিয়তার পাতা উল্টালে  আজও সুবাসিত হয়ে ওঠে আমার বুক। এখনও মাঝে মাঝে আমাদের দেখা…

  • নাকছাবি

    কুপির আলোয় নাকছাবিডার দিকে চাইয়া থাকিরাইত বাড়নের লগে লগে কইলজার ভিত্রে তুমি জিওল মাছের লাহান উছলাওআমারে এমুনতরো এক্লা লাগে ক্যান?বড় পাগল পাগল লাগেবুকের ভিত্রে উছলায় তিন পরাণের গাঙরাইতগুলা রাক্ষসের লাহান আমারে খায়া ফালাইতে চায়!আন্ধারের লগে কথা কইতে কইতেতুমার কিচ্ছা হুনাইতে হুনাইতেআমি খালি উতলা হইআসমানের কাঁন্দনের লগে আমিও কাঁন্দিনিজেরে নিজেই কই-আমার একখান চাওয়া আছিলো, হুনবা?একটা জীবন…

  • মনখারাপের পোস্টকার্ড

    ঠোঁট পোহানো ক্লান্তিগুলো হাসি হলে ভালো থাকে আকাশএভাবেই আয়নায়  দাঁড়াই,দিনশেষের পা ডুবিয়ে বসি সেখানেপ্রচ্ছন্ন দূরত্ব পেরুতে থাকে আমাকে।পুরনো দিন, মৃতমাছ,ছাতিম অন্ধকার,আর স্বরের কোলাহল ছিঁড়ে নিজের এতো কাছাকাছি এলে ঘামতে থাকে চোখ।সমুদ্রস্বাদ,নিজেকে বড়ই মহৎ লাগে।ভাবি, শেকড়ে চাপা মাটির অনাদর  জানে পাতার হলুদঅবিন্যস্ত রূপকে নীল পাহাড়, পাখির নখে নিঃশব্দ খেলাঘর আর  মায়ামী ঢল ছেড়ে উঠে আসো তুমিস্মৃতির রিবনে…

  • অন্তর্গত মসনদে

    যেনো নাচছি সকল মুদ্রায়সঠিক আর ভুলের চর্চায় ঘন উস্তাদজীদের ভীড়ে কেবল একটা হাততালির প্রত্যাশায়জন্মের কাছে জিম্মি হয়ে নাচছি পর্ণ কুটির ধারের পথের মতো কাঙাল এ প্রত্যাশাএ প্রত্যাশা তৃষ্ণার্ত উটের কুব্জের মতো বেঢপ নাচতে নাচতেমনোরঞ্জনের এ আসরে ব্যর্থ ভাঁড় আমিদাঁড়ায় রয়েছিদরোজার বাইরে

  • ভায়োলিন

    বিমর্ষ চায়ের কাপের মুখোমুখি বসে আছো তুমিদূরে কোথাও নেমে আসছে আকাশআঙুুলে তুমুল তৃষ্ণা নিয়ে তুমি কী কিছুটা বিষণ্ন!  এখানে  বিকেলটা ঝরা পাতার পাঁজর ভাঙার শব্দ নিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে ; সম্ভবত আমিও! এই যে আমি হারিয়ে যাচ্ছিতোমার বুকের ভেতর ভায়োলিন হোয়ে বাজছে ব্যথাএরচেয়ে অধিক সত্য পৃথিবীতে আর নেই! আমরা জানি ভালোবাসা এক দীর্ঘকালীন চর্চাএবংনির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়িয়ে…

  • যাপিত অক্ষরমালা

    চিঠির পৃষ্ঠা থেকে ক্রমশ ঝুলে পড়েছে অক্ষরমালাযেনো এরচেয়ে সহজ গন্তব্য নেইনাবছে দুপুর অতৃপ্তির কোষাগারকোথাও সূর্য শকুনের ডানার কাছাকাছিকোথাও চাঁদ বনের উচু গাছের মিত্রএতো উচ্চতাপ্রিয় ধারণায় আমি নিম্নগামী বিন্দুছিটকে গেছি বৃত্তের বর্তূল ঘূর্ণনেআমি প্রেমিকপ্রেমের তরল থেকে জীবন নিংড়ে নিতে ভুল করে গলে গেছি সাবানের ফেনায়উঠে গেছিস তুই যেনো পূণ্য হলো স্নানবুঝি কবিতা ছলে তোর হাত ধরতে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *