রূপ
সে পুরুষ
তার পেশীর দৃঢ়তা, যেনো কোনও দ্বীপ জাগলো আড়মোড়া ভেঙে
যেনো কোনও আলো জলাধারে
পানকৌড়ি হয়ে আমি ডুব মারি সে সুন্দরে।
সে চোখ তাকিয়ে
আমার আঙুল সুর তুলে নেয় একতারায়
তুমি দেখোনি তাকে
তার শরীর তেপান্তরের মাঠ
আমি সারারাত জেগে বাঁশি বাজাই।

সে পুরুষ
তার পেশীর দৃঢ়তা, যেনো কোনও দ্বীপ জাগলো আড়মোড়া ভেঙে
যেনো কোনও আলো জলাধারে
পানকৌড়ি হয়ে আমি ডুব মারি সে সুন্দরে।
সে চোখ তাকিয়ে
আমার আঙুল সুর তুলে নেয় একতারায়
তুমি দেখোনি তাকে
তার শরীর তেপান্তরের মাঠ
আমি সারারাত জেগে বাঁশি বাজাই।

তোমারে ব্যথায় রেখে আমি একাই হাঁটি। শহর দাঁড়ায় থাকে বৃষ্টি মাথায়। কোথাও হয়তো দূরেই বাচ্চারা চিৎকার করে রেইন রেইন গো এওয়ে! আমি কোথায় যাবো ভেবে তোমারে দুঃখ দেই। শহরের দুই একটা পুরুষ আমারে ধাক্কা মেরে চলে যায়। আমি দাঁড়ায় থাকি। বৃষ্টি মাথায় হাঁটতে হাঁটতে দেখি জারুলের থোকা। জারুলের মতোন তুমিও কি এতোটা বেগুনী হও আমার…

খুব তৃষ্ণা পেলে দু’হাতের আঁজলা ভরে তোমাকে তুলে নেবো ঠোঁটে, ভ্রুণ ভেঙে শৈল্পিক কারুকার্যেগহন উদার নিসর্গে তোমাকে দেবো হঠাৎ বিকেলমাথা থেকে পায়ের নখ জীভের তুলি আঁকবে প্রেমের শরীর।যেখানে এতোকাল খেলেছেন ঈশ্বররহস্যময় ঘুলঘুলিতে আমরা হাতড়ে ফিরেছি অন্ধকারের উর্বর জমিআমাদের দ্রাঘিমাংশের ক্ষয়ে যাওয়া অলীক আলোবাতাসের মালহারে উদ্বেলিত গোপন বিষাদের রীড অসুখের কোটরে তরতর করে বিস্ময়ের দ্যোতনায় নিজেকে…

খুব কাছ ঘেষে দাঁড়ালে আজও হাত কাঁপে অথচ মুছে গেছি কতোদিনভীষণ আগুন জ্বেলেদুজনে আলগোছে, দু’দিকে।এখন ভালোবাসার রাত নামে হাভাতে অন্ধকারে ক্ষুধার্ত শিশুর পেটেপাশ দিয়ে হাঁকিয়ে যায় লাস্ট লোকাল, কোলাহল, মানুষতোমার জানালার শীতার্ত ঢাকনা খুলে ওম খুঁজে নক্ষত্রের ছায়াআমাদের কথা ভেবে চির অসুখী প্রেমিকার বুকের খাঁজে জমে শ্যাওলানাভীর চারপাশে উল্লাসে ফেটে পরে ক্ষুধার্ত শিশুর হাহাকারউরুর বৃত্তে পাক…

শহরে খুব বৃষ্টি নামলে আটকা পড়ে যাই তোমার ভেতরভিজে একসা বর্ষাতিতে যেতে থাকি তোমার দিকে। তুুমি নেই, তবু শতাব্দীর তোরঙ্গ পেটরায় কিছু প্রেম এখনোকিছু থেতলে গেছে অচেতনকোলাহলের দিকে যেতে যেতে নিঃসঙ্গতায়। আমাদের চুম্বন এখনো লেগে আছে পুরনো ছাদে, শ্যাওলা ধরেছে অনেক বর্ষায়স্পর্শগুলোতে গজিয়েছে ব্যাঙের ছাতার মতো নয়া ত্বক। আমার সমস্ত ভ্রমণ আজও তোমার বুকে।তোমাকে উদ্দেশ্য করেই…

আমার যে বন্ধুটি আত্মহত্যা করেছিলোসে বলতো-কেউ কেউ মানুষ হয়! মানুষগুলো ঘুড়ির মতোসুতো কেটে গেলেই মুখ থুবড়ে পড়ে হারিয়ে যায়ফানুসের মতো উড়ে যায়,ফুরিয়ে যায়! আমার সেই বন্ধুটি সুতো কাটা ঘুড়ির মতো মুখ থুবড়ে পড়েছিলোহারিয়ে গিয়েছিলো,ফানুসের মতো উড়ে গিয়েছিলো, ফুরিয়ে গিয়েছিলো। .সেদিন সবাই আফসোস করতে করতে বলেছিলো আহা! শেষে কিনা নিজেই কেড়ে নিলো নিজের প্রাণকেবল আমিই জেনেছিলাম জীবন কেড়ে…

গোপনে, অ-সুখে চাঁদের উনুনে পুড়ছে কাম ও প্রেমের খড়ি।একটা চিঠিতেও তোমাকে লিখতে পারিনিকত কাছাকাছি থাকি, আষ্টেপৃষ্ঠেদেখাদেখি নেইতবুবাঁকা বিদ্রুপের মতো তোমার বেআব্রু দৃষ্টিবোতাম এঁটে নিষিদ্ধ করে দেয় আকাশের রৌদ্রস্নান।যতবার মুখ থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছি অন্ধকারের রেণুঅনাদায়ী ধারের মতো ফিরে এসেছোফিরে এসেছোবারবারবুকের বিপন্ন পরাগেউৎস থেকে একা বোধনের ঢঙে।গাছের শরীরে পাতার কম্পমান ধ্বনির ভিড়েনিঃসঙ্গ কোকিল, খুঁজি কাকবাসা।তুমি এসব…