a black and white photo of birds flying in the sky

বাহাস

এখানে নিনাদ অতল
ফসলের উষ্ণতায় কুঁড়েঘরগুলো দোলে
সেলাই মেশিনের ক্ষিপ্রতায় প্রেমিকরা এসে দাঁড়ায়
তাদের শরীর থেকে গলে যায় সুঠাম
এখানে ব্যথার পাশে এক দূরত্ব নেমে আসে
মানুষের বেশে
পথের ধারের কেও বন
অনেক নিঃসঙ্গতা ছুঁয়েছে এ বাতাসকে
এ বাতাস জানে, মানুষের জীবন পাখিদের ক্লান্তিকর এক বাহাস।

Similar Posts

  • পুনর্বার

    মর্মর অশ্রুত পাতাদের ভেঙেতোমার বাড়ির ঘাসে শিশুর হাতের ছোঁয়ামৃত ছিলাম –তুমি আবার জন্মালে প্রেমিক হয়েদক্ষিণে হাওয়ার উতলেআমি এখনও চড়ে বসি অচিন ঘোড়ায়ঘাস, লতাপাতা আর প্রজাপতির আদিম দ্বীপেবুনে রাখি কোমল বয়েসমাঠের ধারের রাখাল বাঁশিপথ ভুলিয়ে দেয় বহু মর্মকথারআমাকে ধরে রাখো-বিরলপ্রজ বৃক্ষের শিকড়েআদিম গুহায় ধরে থাকা প্রদীপে।

  • ছাপ

    খুব কাছ ঘেষে দাঁড়ালে আজও হাত কাঁপে অথচ মুছে গেছি কতোদিনভীষণ আগুন জ্বেলেদুজনে আলগোছে, দু’দিকে।এখন ভালোবাসার রাত নামে হাভাতে অন্ধকারে ক্ষুধার্ত শিশুর পেটেপাশ দিয়ে হাঁকিয়ে যায় লাস্ট লোকাল, কোলাহল, মানুষতোমার জানালার শীতার্ত ঢাকনা খুলে ওম খুঁজে নক্ষত্রের ছায়াআমাদের কথা ভেবে চির অসুখী প্রেমিকার বুকের খাঁজে জমে শ্যাওলানাভীর চারপাশে উল্লাসে ফেটে পরে ক্ষুধার্ত শিশুর হাহাকারউরুর বৃত্তে পাক…

  • শরীর ভেজা দিনে

    শরীর ভেজা দিনে* থামতে থামতে ভেসে গেছি, ঢেউ বলেছে এসোবৃক্ষ শাঁখায় ব্যথার বেশে মানু‌ষের মুখওপাতায় দুলছে হাওয়া,ঝরছে বুক ঢলোঢলো-হৃদয় মর্মর মাটি, পায়ের তালু তৃণ অইতো সর্বনাশের নদী-খোলা মাঠে উদোম গায়ে ছুটছে জীবন ঝুঁকিনগ্নতাকে আঁকড়ে ধরে বাজছে বীণা ধ্রুপদলহর থেকেই আসছে ভেসে বধ করা অসুরবসে আছো  ভোরের ভেতর  ধোঁয়ায় উড়া মাছি, কতযুগ পরের তুমি, কত যুগের আমি?আমরা…

  • মনখারাপের পোস্টকার্ড

    ঠোঁট পোহানো ক্লান্তিগুলো হাসি হলে ভালো থাকে আকাশএভাবেই আয়নায়  দাঁড়াই,দিনশেষের পা ডুবিয়ে বসি সেখানেপ্রচ্ছন্ন দূরত্ব পেরুতে থাকে আমাকে।পুরনো দিন, মৃতমাছ,ছাতিম অন্ধকার,আর স্বরের কোলাহল ছিঁড়ে নিজের এতো কাছাকাছি এলে ঘামতে থাকে চোখ।সমুদ্রস্বাদ,নিজেকে বড়ই মহৎ লাগে।ভাবি, শেকড়ে চাপা মাটির অনাদর  জানে পাতার হলুদঅবিন্যস্ত রূপকে নীল পাহাড়, পাখির নখে নিঃশব্দ খেলাঘর আর  মায়ামী ঢল ছেড়ে উঠে আসো তুমিস্মৃতির রিবনে…

  • সরোদ এবং আত্মহত্যাপ্রবণ সন্ধ্যা

    ডোমদের হাতে সরোদ হয়ে বাজে নিথর শরীর,আত্মহত্যার সুর! বিসংবাদিত  সময়ের যেকোনো আত্মহত্যাপ্রবণ সন্ধ্যাএবংএপিটাফ কখনো মিথ্যে বলেনা! তবে কী মানুষ মৃত্যুর মোড়কে মুক্তি খোঁজে? ফর্মোনাইট্রাইলে কালশীটে জিভের দিকে তাকিয়েসেই সংক্রান্ত উপসংহারে আমরা এখনো পৌছতে পারিনি। মানুষ কেবলই চিত্রিত চরিত্র একনিপুণ মহড়ায় করছে নিজেকে দৃশ্যায়ন। সমান্তরাল জীবনের অসংখ্য বিভাজনক্যালকুলাসে ক্লান্ত প্রতিটি নিঃশ্বাসঅমিমাংসীত- কতোটা অযৌক্তিক বেঁচে থাকা আর  কতোটা…

  • প্রত্যাহার

    কতোটা অগোচর ছিলো নির্লিপ্ত এই ফিরে আসাজানে অরণ্য বিষাদ মেখে উড়ে যাওয়া পাখির ডানা। ফেলে আসা ছায়ার শরীরে তুমি গোটা গোটা অক্ষরে লিখে চলেছো নীরব প্রত্যাহার তোমার অনভ্যস্ত আলাপচারিতার দিকে তাকিয়ে ভাবিঅলীন্দের দেয়ালে আমিই অলঙ্কৃত করেছি তোমার সর্বশ্রেষ্ঠ পোর্ট্রেট। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *