black framed sunglasses on white surface

বিবিধ 

সব্জির দোকানে ছেটানো জল
মাংসের দোকানে লেগে থাকা রক্তের ভিড় 
ভালোলাগেনা আমার
ভালোলাগেনা
ভেজানো ছোলায় ফেঁপে ওঠা রাক্ষস
করমচা চোখ
যাপনের আটপৌড়ে আলনায় ঝুলে থাকা বাহারি জামা। 
আমি এসব থেকে দূরে যেতে চাই। 
চাদরের ঝুল বেয়ে নেমে যায় কচ্ছপ রাত
মেঝেতে ছড়ানো রিপুর কাঁদমাটি মাড়ানো পা ভিজতে থাকে বর্ষায় 
আমি শুধু তোমাকে ভাবি,মুঠোয় করে আনি সমুদ্রশ্বাস
অথচ তুমিও মানবিক
অমানবিক কানাঘুষা ছুড়ে মারো আমার মুখে 
এই বলে স্বান্তনা দাও এটাই জীবন
রেসের ঘোড়ার টগবগে পা’ই সুন্দর
আমি অস্থির হই, মেলে দাও তোমার বুক
যেখানে অরণ্য ছাপিয়ে প্রকট কর্পোরেট শীতলতা
কোথাও তুমি নেই! সবটাই মানবিক অবাক মানবিকতা!
জীবন,তোমার শরীর চিরকাল পাঠোদ্ধারহীন ব্রেইল
বাতাসের দিকে যায় উড়ে
মূর্খ, তাবু গেড়ে নিজেকে জয়ী ভাবি।

Similar Posts

  • মুন্ডুহীন কঙ্কাল

    সুবিধাভোগী ধারালো দাঁত ছিবড়ে খায় মুরগির ঠ্যাং, রাশিয়ান ভদকাএতো রোশনাই! এতো আলোয়লকলকে জীভ কুকুরের মতো চাটে লোভের চিবুকের তিলবিকিয়ে যায় মুন্ডুহীন কঙ্কালআহা! কী মোহময়ক্ষমতার উদ্ধত বুকএনাকোন্ডার মতো মুখে পুরে আস্তে আস্তে গ্রাসআরাম করে ভীষণ ধীরে ধীরে ধীরে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি অনেক কিছু করবার আছে আপনার কী কিছু দেবার আছে?“শোন কালু তোর বউটা তো দারুণ সুন্দরীযা হাজার টাকা বাড়িয়ে দিলাম…

  • ঘূর্ণি

    রাতের মসৃণ শরীরে পাথরের মতো চেপে থাকা স্তব্ধতা আমাকে টুকরো টুকরো করে উল্লাস করেদিন হলেই পুরনো অস্বস্তির ক্ষুরধার নখ আঁচড়ে আঁচড়ে ছিন্নভিন্ন করতে থাকে মনোযোগ।এসব একই নিয়মে রোজ ঘুরেফিরে আসে।তোমাকে মিথ্যে জানার পরআমার মাথার পাশে সারাদিন কাঁদে একটা মাধবীলতা গাছতোমাকে মিথ্যে জানার পরআমার হৃদপিন্ড হয়ে উঠেছে একটা আদর্শ প্যারাসাইটআর তুমি?প্রচন্ড ভালোবেসে, সব থেকে টেনে নিয়েছুঁড়ে দিয়েছো…

  • পাখিদের দূরত্ব

    দূরত্ব হয়ে গেলে আমাদের মধ্যে একটা পাখি ওড়ে। শিস দেয়, ডানা ঝাপ্টায়, ছটফটায়। এই যে সকাল, সকালের গায়ে লেগে থাকা আদর আদর ঘুম এটুকুর পর মানুষ বড্ড একা।

  • নৈঃশব্দের শুরু

    তোমাকে খুঁজতে খুঁজতে মার্বেলের মতো ছুঁড়ে  দিয়েছি বেলাদেবদারুর গায়ে নেমে এলে কিন্নর বিকেলচিবুককে বলেছি ভয় পেওনাঅতোটা নিঃসঙ্গতা তোমাকে ছোঁবেনা।….আর তুমি আমাকে  বাজেয়াপ্ত করেপিয়ালের বনে গাঢ় শুয়ে আছো অনভিপ্রেত ঘুমেআমার সমস্ত ভালোবাসা গলাকাটা মোরগের মতো কাতরাচ্ছে তোমারই  সিথানে  যেনো ব্যাকুল কোনো কবিতাদৃশ্যআলোড়ন তুলে নিভে যাবে নির্লিপ্ত, নীরব শব্দের কোঁচকানো ঢেউ, পাশেই ক্লান্ত টঙ্কারনিষ্প্রভ আয়ুরেখা থেকে উঠে আসাএকটা সদাব্যস্ত দীর্ঘশ্বাসে জেনেছি …

  • খাঁচা

    এখানে কোথাও মুক্তি নেইদেহের চুনকামে আবদ্ধ আত্মা বিধ্বস্ত ডানায়এখানে পাখিরাও আত্মহত্যাপ্রবন অধীর কান্নার স্রোতআয়ত চোখে উদগ্রীব অন্ধকার কেড়ে যে যা নিয়ে যায় তা ফিরিয়ে দেয়া কি এতো সহজ! জীবন্ত চিতায়  মুখাগ্নি রোজনীরব নীরবতায় অভিমানের হৈ চৈহাতের রেখায় অনন্ত ক্ষয় জানি এ পৃথবীতেসুখের মিছিল সার্বজনীন নয়। এইখানে বিছায়ে রেখো পাঁজরআমি ফিরিবোদিনশেষের কোলাহলে নিজেরে থুয়েএইখানে, তোমার কাছেওগো আন্ধার…

  • প্রলম্বন

    এখানে কথা হবে নীরবেআচমকা তোমার দরোজায় দাঁড়াবে বিস্ময়অপ্রস্তুত তোমাকে দাঁড় করিয়ে রেখে ফিরে যাবে যেতার আসলে কোথাও ফেরা হবেনা!পাখি কী কখনো পেরেছে আকাশকে করতে পার?যদিও সময়টা অনিশ্চিততবুও মুগ্ধ তুমি সেভাবেই দাঁড়িয়ে রবে অনন্তকালস্মৃতির পাতায় কিংবা প্রলম্বিত অপেক্ষায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *