an aerial view of a body of water

লিলিথের ডানা

খুব তৃষ্ণা পেলে দু’হাতের আঁজলা ভরে তোমাকে তুলে নেবো ঠোঁটে, ভ্রুণ ভেঙে শৈল্পিক কারুকার্যে
গহন উদার নিসর্গে তোমাকে দেবো হঠাৎ বিকেল
মাথা থেকে পায়ের নখ জীভের তুলি আঁকবে প্রেমের শরীর।
যেখানে এতোকাল খেলেছেন ঈশ্বর
রহস্যময় ঘুলঘুলিতে আমরা হাতড়ে ফিরেছি অন্ধকারের উর্বর জমি
আমাদের দ্রাঘিমাংশের ক্ষয়ে যাওয়া অলীক আলো
বাতাসের মালহারে উদ্বেলিত গোপন বিষাদের রীড অসুখের কোটরে তরতর করে বিস্ময়ের দ্যোতনায় নিজেকে এলিয়ে দিয়েছে রাত্রির সিড়িপথে
বিশ্বাস নামক ছেদ টেনে বিশ্বস্ত আস্থায়
সমুদ্রের কোলাহল 
অপসংস্কারে বিকল জাহাজ
তিনশত শতাব্দীর রোঁয়াবী ডাহুক 
ভাঙা প্রপেলারে লিলিতের অভিশপ্ত ডানা
লিখে রেখেছে-
ইটস দ্য রোড হোয়ার অল লাইটস আর স্টপ ডাউন
ইটস দ্য পাথ হোয়ার শ্যাডোজ আর অল অ্যালোন!

Similar Posts

  • আঁচল

    প্রিয়তমারাস্তায় পড়ে থাকা আমাকে তুমিমাতাল বলে গালি দিয়ো না অভিজাত মাতালরা  ওভাবে পড়ে থাকেনাতারা  খুঁজে নিতে পারে আঁকাবাঁকা শরীরের ভাঁজড্রাইভার ঠিক সময়ে তাদের পৌছে দিয়ে আসে বাড়ি বরং  আমাকে  শুড়িখানায়  নিমজ্জিত অ্যালকোহল থেকে বুকের ভেতর তুলে নাওক্ষততে হলুদের প্রলেপ লাগিয়ে মাথায়  মমতায় রাখো হাতহাহাকারের পাশে কয়েকটা রাত জেগে কাটাওদেখো আমিও কেমন প্রেমিক হয়ে উঠি ফুটপাতে উড়া…

  • শোক

    যে প্রিয়জন ছেড়ে চলে গেছে খানিক দূরতাকে আবার ফিরে পেতে ইচ্ছে করেতাকে আমি কার কাছে চাইতে পারি? ছেলেবেলায় মা বলতেন “যদি কারো কাছে চাইতেই হয় তবে ঈশ্বরের কাছে চাও”আমি চাইতাই ঈশ্বরের কাছে চাইতে আমাকে দাঁড়াতে হয় নির্দিষ্ট প্রার্থনালয়ের সামনে ঈশ্বর তো সেখানেই থাকেন! অথচ  ঈশ্বরকে আমার সব জায়গায় পেতে ইচ্ছে করে! আমি বয়ে বেড়াই প্রিয় এবং ভয়াবহ…

  • আলো 

    মাধ্যমিকে ফেল করার পর বাবা বলেছিলেন তোর ভাগ্যে অন্ধকার আছে চলে যাওয়ার দিন তুমি  বললে-তোমার কোনো দোষ নেই আমার ভাগ্যে তুমি নেইসেই থেকে আমি শহরকে তন্ন তন্ন করে ভাগ্য খুঁজি পেয়ে যাইশ্রী তারকেশ্বর ভোলানাথ ব্র্যাকেটে জ্যোতিষ বিদ গ্রহ নক্ষত্র বিশারদকেতিনি বলেন সমস্ত লেখা আছে হাতের মুঠোয় আমি হাত মেলে দেইহাতের তালুতে  বেগোনভিলিয়ার মতো ছেয়ে থাকা রেখা   দেখিয়ে জানতে…

  • অন্তর্গত মসনদে

    যেনো নাচছি সকল মুদ্রায়সঠিক আর ভুলের চর্চায় ঘন উস্তাদজীদের ভীড়ে কেবল একটা হাততালির প্রত্যাশায়জন্মের কাছে জিম্মি হয়ে নাচছি পর্ণ কুটির ধারের পথের মতো কাঙাল এ প্রত্যাশাএ প্রত্যাশা তৃষ্ণার্ত উটের কুব্জের মতো বেঢপ নাচতে নাচতেমনোরঞ্জনের এ আসরে ব্যর্থ ভাঁড় আমিদাঁড়ায় রয়েছিদরোজার বাইরে

  • স্টেশন

    তুই কখনো আমাকে চাসনি,না চেয়েই আমি পুরোটা তোর।অথচ সেজুতি জানেনা তার পাবার অহংকারে কেবলই ফাঁকি।স্টেশনের ক্ষীণ আলোয় চমকে উঠলাম, ভুল দেখছিনা তো!তুই এসে সহাস্যে জনতে চাইলি “কেমন আছ অরুণদা? “গলায় ঢেলা পাকানো অন্ধকার ঠেলে কেবল বলতে পারলাম “ভালো “!একমুহুর্তের জন্য কী পৃথিবীটা এসে থমকে রইলো আমার চারপাশে?বুকের ভেতর এতো কাছাকাছি থাকিস তুইঅথচ হাতছানির দূরত্বে দাঁড়িয়ে…

  • ঘূর্ণি

    রাতের মসৃণ শরীরে পাথরের মতো চেপে থাকা স্তব্ধতা আমাকে টুকরো টুকরো করে উল্লাস করেদিন হলেই পুরনো অস্বস্তির ক্ষুরধার নখ আঁচড়ে আঁচড়ে ছিন্নভিন্ন করতে থাকে মনোযোগ।এসব একই নিয়মে রোজ ঘুরেফিরে আসে।তোমাকে মিথ্যে জানার পরআমার মাথার পাশে সারাদিন কাঁদে একটা মাধবীলতা গাছতোমাকে মিথ্যে জানার পরআমার হৃদপিন্ড হয়ে উঠেছে একটা আদর্শ প্যারাসাইটআর তুমি?প্রচন্ড ভালোবেসে, সব থেকে টেনে নিয়েছুঁড়ে দিয়েছো…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *