person's left hand covered with red glitters

নেকরোফিলিয়া


প্রলেতারিয়েত হাঙরের দাঁতে ঘুমিয়ে পড়েছে শরৎ
ফ্যান্টাসি জুড়ে কালো রঙের মাইম, জোকার মঞ্চ
অস্তিত্বের ওপর ঝুঁকে আধোলীন
সূর্যাস্তের দিকে তাকিয়ে থাকা অন্ধকারপ্রিয় জানালা
তোমার ভঙ্গিমা এড়িয়ে
ক্ষুধা আমাকে ফেরি করে পৃথিবীময়।

এখানে আধোছায়া
মাংসের মর্মরে ভাঙার আওয়াজ
ধাতুফলকের বিচূর্ণ রঙে উড়ে যাচ্ছি
কুহকে, অন্তরালে পালকের নরম কাটছে দাঘ্রিমা
তোমাদের শহরে আমার স্বাধীনতা মিথের পতাকা। 

আগুন আর পোড়াচ্ছেনা
গড়ে নিচ্ছে কঠিন
এখন সকল আঘাতই ঝঙ্কার
তথাপি আমার শরীরে বিরহ খোদাই করে চলেছে যে কারিগর
সে বড়ই নিখুঁত।

ক্লাসঘরের নৈঃশব্দ্যহিমে আমাকে কাঁদে শিশুর মন
পেন্ডুলামের অশনিসংকেতে 
দিকপালহীন বাড়ছি আমি
বেঁচে থাকার বেরসিক মেমব্রেনে।

Similar Posts

  • শ্রান্তি

    এঁটো থালাবাটির পাশে পরে থাকে আকাশমাছির মত ভনভন করা দিনভাতের থালায় দুপুর মাখে বিস্বাদসন্ধ্যার দানে নিলাম হয় তোমার চোখআমার হেরে যাওয়া দান!বাড়ি ফেরার মুখে ঝুলে থাকে অবসাদ।রাতগুলো চুরি হয়ে যায়পাহাড়ের বুক থেকেকিন্নর কাঁদে ঝর্ণার পাথুরে চোখজেগে থাকে সমুদ্র, অনন্তকাল।নিজের মুখোমুখি দাঁড়িয়েআরও একবার ভুলে যায়ডাঙায় উঠা মাছের ছটফট থেকে যায় গভীরে।ফেলে যাওয়া চোখ কুড়ায় বুড়ো প্লাটফর্মভীড়ের…

  • তোমাকে পান্থশালা ভেবে

    তোমাকে পান্থশালা ভেবে ঢুকেছিলো যে তুমি তার মাথাটাকে চিবিয়ে খেলে। অতোটা অনৈতিক না হলেও পারতে,প্রয়োজন ছিলোনা অবতারণার অনর্থক একটি শব্দের । হৃদপিন্ডের দাঁতগুলো নেকড়ের মতো, হাতগুলো শিকারী বাঘ। যখন তুমি তার সবচেয়ে নরম অংশটাকে চিবিয়ে খাচ্ছিলে এক বৃদ্ধা ক্যারল গাইছিলেন ঈশ্বর কুটিরে।ধর্মাবতাররা জানতেন না পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর চোখ  ছিলো  দীনহীন কুড়েঘরেরএকজোড়া মানুষকে কখন আগুনের মতো…

  • জীবন

    দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়া পথিকের মতো লাগছে তাকেসময়ের কড়াল ঝাপ্টায় অবসন্ন আমার কী উচিৎ তার পাশে খানিকক্ষণ বসাআলতো করে তার হাতে হাত রাখা আমি ভাবছিআটপৌঢ়ে শাড়ির মতো দীর্ঘ ক্লান্তিকর ভাবনাঅথচ আমার ভাবা উচিৎস্বচ্ছ জলের মতো টলটলে ভাবনাজঞ্জালহীন নিরেট কোনো ভাবনা আমি এগুচ্ছি গুটিগুটি পায়েপথের উপর শুয়ে থাকা মৃত পাতার শরীরদুঃখ দুঃখ চোখে তাকাচ্ছে আমার দিকেধানক্ষেতের হুল্লোড়ে…

  • দেয়াল

    আমি এবং পৃথিবীর মাঝখানে দেয়াল হলে তুমি তোমাকে অস্বীকার করা গেলে ভেঙে ফেলা যেতো  দেয়ালযাওয়া যেতো পৃথিবীর খুব কাছাকাছি নিজেকে অনিশ্চিত বাজির দিকে ছুঁড়ে দিয়ে অপেক্ষা এখন কেবল মৃত্যুরসম্ভবত মৃত্যুই সেই অস্বীকার! নিকোটিন শুষে পঁচে যাওয়া ফুসফুস আর হৃদপিন্ডের ভগ্নাংশ নিয়েআবাদ হওয়া সময়কে  কিছুতেই জীবন বলা যায়নাতবুও রোজ  দাঁড়াতে হয় তার মুখোমুখিডাকতে হয় প্রিয় নাম, জীবন!

  • মনখারাপের পোস্টকার্ড

    ঠোঁট পোহানো ক্লান্তিগুলো হাসি হলে ভালো থাকে আকাশএভাবেই আয়নায়  দাঁড়াই,দিনশেষের পা ডুবিয়ে বসি সেখানেপ্রচ্ছন্ন দূরত্ব পেরুতে থাকে আমাকে।পুরনো দিন, মৃতমাছ,ছাতিম অন্ধকার,আর স্বরের কোলাহল ছিঁড়ে নিজের এতো কাছাকাছি এলে ঘামতে থাকে চোখ।সমুদ্রস্বাদ,নিজেকে বড়ই মহৎ লাগে।ভাবি, শেকড়ে চাপা মাটির অনাদর  জানে পাতার হলুদঅবিন্যস্ত রূপকে নীল পাহাড়, পাখির নখে নিঃশব্দ খেলাঘর আর  মায়ামী ঢল ছেড়ে উঠে আসো তুমিস্মৃতির রিবনে…

  • বাহাস

    এখানে নিনাদ অতলফসলের উষ্ণতায় কুঁড়েঘরগুলো দোলেসেলাই মেশিনের ক্ষিপ্রতায় প্রেমিকরা এসে দাঁড়ায়তাদের শরীর থেকে গলে যায় সুঠামএখানে ব্যথার পাশে এক দূরত্ব নেমে আসেমানুষের বেশেপথের ধারের কেও বনঅনেক নিঃসঙ্গতা ছুঁয়েছে এ বাতাসকেএ বাতাস জানে, মানুষের জীবন পাখিদের ক্লান্তিকর এক বাহাস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *