a blurry image of a blue and pink background

অপ্রেম

আমাদের মাঝে যে সম্পর্ক তার নাম প্রেম ছিলোনা কখনো
ছিলোনা শর্ত সাপেক্ষে নুয়ে পড়া মুমূর্ষ কোনো সম্পর্ক
ছিলো অনাবিষ্কৃত পৃথিবীকে আবিষ্কার কোরবার যাত্রা!
ছিলো আস্তাকুড়ের ভেতর নিজেকে নতুন কোরে উন্মোচন কোরবার সুখ!

যে প্রেম দীর্ঘদিন অপেক্ষায় রেখে কাতর কোরে সে প্রেমকে আর বিশ্বাস করিনা আমি।

বিশ্বাস করি সেই তৃষ্ণা যা নিয়ে আসে খুব কাছাকাছি, পাশাপাশি। 
তাই
আমাকে ছুঁতে চেয়ে বাড়িয়ে দেয়া হাত আমি ফিরিয়ে দেইনি
বরং নির্ভরতায় রেখেছি আঙুল
আমরা স্পর্শ করেছি শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারে
ঠোঁটে ঠোঁট ছুঁইয়ে হোয়ে উঠেছি অবারিত সবুজ।
নাহ!
কোনো শর্ত রাখিনি
কেবল মূহুর্তটাকে সত্যি রেখে
ডুবে গেছি নির্বিবাদ 
গভীর থেকে গভীরে!

আমাদের অন্তর্বর্তী নীরবতায় আমরা নতুন কোরে করেছি পৃথবিবীকে অনুবাদ।

আমরা বাঁধন হইনি 
ডানা হয়েছি নিজস্ব আকাশে
আমরা বন্দী হইনি
আশ্রয় হয়েছি সময় কিংবা অসময়ে।

অথচ আমাদের মাঝে যে সম্পর্ক তার কোনো নাম ছিলোনা কখনো!

Similar Posts

  • তোমাকে লিখতে চেয়ে -৩

    ফিরতে ফিরতে ফেরা হয়নি এমন না ফেরা আমার অনেক আছে। গাছের ছায়ায়, পাতার আড়ালে, তোমার হাসির মিথ্যা সম্ভাষণে। সেইসব না ফেরা এখন স্তুপ হয়ে ভয় দেখায়।যে ঢেউগুলো ছিলো সেগুলো গত হবার পরে এই নিস্তব্ধতার সাথে যেটুকু বন্ধুত্ব সেটুকুই এখন অস্তিত্ব। তৃষ্ণার পাশে শূন্য পিপির মতো পরে থাকা! এখন দুপুর গড়ালে একটা টানা বারান্দা, দূরে ছাতিম…

  • সংঘাত

    বুক থেকে উঠে দাঁড়ায় কুকুর, দু’পায়ে হেঁটে যায়আমি সেইদিকে তাকাইযেদিকে ছায়া একা পড়ে রয়যেদিকে কান্নারত রমণীর বুক থেকে আঁচল খসে গেলেপ্রেমিক আজও পুরুষযেদিকে বিধবা পায়ের ব্যথা মাখে শুধু পথযেদিকে ক্ষুধার অনেক নাম!দালানের বাগানে ফুটে থাকে ডুমুরের ফুলগভীর রাতে ছলকে ওঠা আততায়ী শোকেঅবিরল বাষ্পে উড়ে যায় স্নেহার্দ্র জলতলানিতে থেকে যায় হিংস্রতার লবণ …ওইটুকু জিভে রেখে খোদাই…

  • ভায়োলিন

    বিমর্ষ চায়ের কাপের মুখোমুখি বসে আছো তুমিদূরে কোথাও নেমে আসছে আকাশআঙুুলে তুমুল তৃষ্ণা নিয়ে তুমি কী কিছুটা বিষণ্ন!  এখানে  বিকেলটা ঝরা পাতার পাঁজর ভাঙার শব্দ নিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে ; সম্ভবত আমিও! এই যে আমি হারিয়ে যাচ্ছিতোমার বুকের ভেতর ভায়োলিন হোয়ে বাজছে ব্যথাএরচেয়ে অধিক সত্য পৃথিবীতে আর নেই! আমরা জানি ভালোবাসা এক দীর্ঘকালীন চর্চাএবংনির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়িয়ে…

  • যাবার আগে

    ক্লান্তি মুছে উড়ে যাবো দূর, ডানার অস্ফুট রেখে তোমার কাছে,যেনো পৌড় কোনও বিকেল –দ্বিতল জানালার বাসেসেও যাচ্ছে বাড়িউড়ে যাবো নির্ঝরমেঘার্দ্র শরীর ছোঁবেনা?

  • বিবিধ 

    সব্জির দোকানে ছেটানো জলমাংসের দোকানে লেগে থাকা রক্তের ভিড় ভালোলাগেনা আমারভালোলাগেনাভেজানো ছোলায় ফেঁপে ওঠা রাক্ষসকরমচা চোখযাপনের আটপৌড়ে আলনায় ঝুলে থাকা বাহারি জামা। আমি এসব থেকে দূরে যেতে চাই। চাদরের ঝুল বেয়ে নেমে যায় কচ্ছপ রাতমেঝেতে ছড়ানো রিপুর কাঁদমাটি মাড়ানো পা ভিজতে থাকে বর্ষায় আমি শুধু তোমাকে ভাবি,মুঠোয় করে আনি সমুদ্রশ্বাসঅথচ তুমিও মানবিকঅমানবিক কানাঘুষা ছুড়ে মারো আমার মুখে এই বলে স্বান্তনা…

  • প্রত্যাহার

    কতোটা অগোচর ছিলো নির্লিপ্ত এই ফিরে আসাজানে অরণ্য বিষাদ মেখে উড়ে যাওয়া পাখির ডানা। ফেলে আসা ছায়ার শরীরে তুমি গোটা গোটা অক্ষরে লিখে চলেছো নীরব প্রত্যাহার তোমার অনভ্যস্ত আলাপচারিতার দিকে তাকিয়ে ভাবিঅলীন্দের দেয়ালে আমিই অলঙ্কৃত করেছি তোমার সর্বশ্রেষ্ঠ পোর্ট্রেট। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *