a person standing in a canyon surrounded by rocks

আরেক জন্ম

একটা জীবন আমারও ছিলো, তোমাদের বুকের ভেতর কতো জন্মে গত।
আমার বসন্তের শরীর, এক ঢোঁক অন্ধকারে নিভে জ্বলে জলে গ্যালো।
একটা জন্ম আমারও ছিলো, তোমার বুকের ভেতর
মাফলারে ফসিল হয়ে থাকা ওমে গ্রীষ্মকালীন খড়ার গল্পে
বন্দর ছেড়ে গেলে জাহাজ, বহুকাল ঘড়ির কাঁটায় অনাহারি সময়ে।
তোমার মৃত্যুর পর ভাঁজ করে রাখি আঙুল
প্রেম
মূলত
প্রত্নতত্ত্বীয় হাহাকার
জ্বলতে থাকা মোম এর নিঃশেষ হবার গান।
ঠোঁটের ভেতর সমস্ত শহর নিয়ে সরব সন্ধ্যায়
চোখের ভেতর ভীষণ এক মৃত্যুু,অপেক্ষায়
বুকের ভেতর আরেক জন্ম।

Similar Posts

  • বিস্মৃতির কোলাজ

    অনেক খুঁজেছি!কোথাও পাইনি!জলের বুকে আচড় কেটে ক্লান্তএবার ফিরতে হবেভাঙা কবিতার গুঞ্জন নিয়ে থেমে যায় সমস্ত নীরবতাকার্ণিশে বিস্মৃতির অতলান্ত কোলাজ!কাল অবধি যাকে চিনতাম আজ আর তাকে চিনতে না পারলে অবাক হইনাসেই নাম লিখে দিই ঝরা পাতার বুকেনিরুদ্দেশের কোল ঘেষে উড়িয়ে দিই কালো ডানার প্রজাপতিআমার ভেতর প্রতিটি আমিই একা!সিগন্যালে দাঁড়ানো সন্ধ্যারবিষাদ সংলাপেতোমাকে ভাবিনা আরঅনন্ত ইথারে ছুঁড়ে দেই…

  • রূপ

    সে পুরুষতার পেশীর দৃঢ়তা, যেনো কোনও দ্বীপ জাগলো আড়মোড়া ভেঙেযেনো কোনও আলো জলাধারেপানকৌড়ি হয়ে আমি ডুব মারি সে সুন্দরে।সে চোখ তাকিয়েআমার আঙুল সুর তুলে নেয় একতারায়তুমি দেখোনি তাকেতার শরীর তেপান্তরের মাঠআমি সারারাত জেগে বাঁশি বাজাই।

  • নেকরোফিলিয়া

    ১প্রলেতারিয়েত হাঙরের দাঁতে ঘুমিয়ে পড়েছে শরৎফ্যান্টাসি জুড়ে কালো রঙের মাইম, জোকার মঞ্চঅস্তিত্বের ওপর ঝুঁকে আধোলীনসূর্যাস্তের দিকে তাকিয়ে থাকা অন্ধকারপ্রিয় জানালাতোমার ভঙ্গিমা এড়িয়েক্ষুধা আমাকে ফেরি করে পৃথিবীময়।২এখানে আধোছায়ামাংসের মর্মরে ভাঙার আওয়াজধাতুফলকের বিচূর্ণ রঙে উড়ে যাচ্ছিকুহকে, অন্তরালে পালকের নরম কাটছে দাঘ্রিমাতোমাদের শহরে আমার স্বাধীনতা মিথের পতাকা। ৩আগুন আর পোড়াচ্ছেনাগড়ে নিচ্ছে কঠিনএখন সকল আঘাতই ঝঙ্কারতথাপি আমার শরীরে বিরহ খোদাই…

  • প্রত্যাহার

    কতোটা অগোচর ছিলো নির্লিপ্ত এই ফিরে আসাজানে অরণ্য বিষাদ মেখে উড়ে যাওয়া পাখির ডানা। ফেলে আসা ছায়ার শরীরে তুমি গোটা গোটা অক্ষরে লিখে চলেছো নীরব প্রত্যাহার তোমার অনভ্যস্ত আলাপচারিতার দিকে তাকিয়ে ভাবিঅলীন্দের দেয়ালে আমিই অলঙ্কৃত করেছি তোমার সর্বশ্রেষ্ঠ পোর্ট্রেট। 

  • শরীর ভেজা দিনে

    শরীর ভেজা দিনে* থামতে থামতে ভেসে গেছি, ঢেউ বলেছে এসোবৃক্ষ শাঁখায় ব্যথার বেশে মানু‌ষের মুখওপাতায় দুলছে হাওয়া,ঝরছে বুক ঢলোঢলো-হৃদয় মর্মর মাটি, পায়ের তালু তৃণ অইতো সর্বনাশের নদী-খোলা মাঠে উদোম গায়ে ছুটছে জীবন ঝুঁকিনগ্নতাকে আঁকড়ে ধরে বাজছে বীণা ধ্রুপদলহর থেকেই আসছে ভেসে বধ করা অসুরবসে আছো  ভোরের ভেতর  ধোঁয়ায় উড়া মাছি, কতযুগ পরের তুমি, কত যুগের আমি?আমরা…

  • ব্যবহার

    ঘুম ভেঙে তোমার বন্ধ দরোজা থেকে ফিরে আসিআমাকে ফেরানোর চেয়ে এতো সৎ ব্যবহারনেই বোধহয় বন্ধ দরোজারহাঁটি বনপথে, পায়ের আওয়াজে এগোয় খানিকটা বনএখানে গাঢ় অন্ধকারআমাকে গিলে খায় দাঁতাল শুয়োরআমি তার নাড়িভূড়িতে পাক খেতে খেতে আবার জেগে উঠিতোমার দরোজা তখনো বন্ধভেতর থেকে ছেঁড়া ছেঁড়া হাসিমৃত্যু জন্য উদগ্রীব হয়েতোমার দিকে ছুটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *