window curtain open wide

দক্ষিণ জানালা

একটি শীতকালীন সন্ধ্যায় তুমি আমার
বাড়িতে এলে
তোমাকে বলা যেতে পারতো
ফায়ার প্লেসের অপ্রয়োজনীয়তা
সম্পর্কে বিবিধ এবং
রেড ওয়াইন অথবা ব্ল্যাক লেভেল এর
মোহে ভিজিয়ে নেয়া যেতো ঠোঁট ।

যদিও মদে আমার তেমন নেশা হয়না
চুমু খেলেই আমি মাতাল হয়ে যাই

ভয়াবহ ঘোরে মেঘ হয়ে ভাসতে থাকা এক টুকরো পৃথিবীতে পালক হয়ে যাই।

যদিও তোমার  না আসার অজুহাত অনেক
পথে পথে পসরা সাজিয়ে বসে আছে দূরত্ব
তবুও তুমি এলে
শীতকালের এই ভূতুুড়ে সন্ধ্যা হয়ে উঠতে পারতো বসন্তের আয়েশী বিকেল
তোমাকে বলা যেতে পারতো
দক্ষিণের জানালাটা ওঁমন হাট করে খোলা থাকে কেনো!

Similar Posts

  • ব্যাধ

    ১ জলের শরীর খুলে বেরিয়ে আসা রূপালী মাছতোমার কাছে পরাস্ত হয়ে কাঁদে আমার শিকারী পন্থা। ২ এই অবোধ কান্নার দিনে আমাকে দিতে পারো মুঠোভরে ভাঁটফুল?এসে দাঁড়াও ইচ্ছের কাছেতোমাকে গাইবে বৃষ্টি শেষের দুলতে থাকা হাওয়ামানুষের অশেষ ক্লান্তিআমাকে এঁকে ফেলার আগেতোমার চিবুক ছোঁয়াও ডুবগামী রূপালী মাছ।

  • সংঘাত

    বুক থেকে উঠে দাঁড়ায় কুকুর, দু’পায়ে হেঁটে যায়আমি সেইদিকে তাকাইযেদিকে ছায়া একা পড়ে রয়যেদিকে কান্নারত রমণীর বুক থেকে আঁচল খসে গেলেপ্রেমিক আজও পুরুষযেদিকে বিধবা পায়ের ব্যথা মাখে শুধু পথযেদিকে ক্ষুধার অনেক নাম!দালানের বাগানে ফুটে থাকে ডুমুরের ফুলগভীর রাতে ছলকে ওঠা আততায়ী শোকেঅবিরল বাষ্পে উড়ে যায় স্নেহার্দ্র জলতলানিতে থেকে যায় হিংস্রতার লবণ …ওইটুকু জিভে রেখে খোদাই…

  • দেয়াল

    আমি এবং পৃথিবীর মাঝখানে দেয়াল হলে তুমি তোমাকে অস্বীকার করা গেলে ভেঙে ফেলা যেতো  দেয়ালযাওয়া যেতো পৃথিবীর খুব কাছাকাছি নিজেকে অনিশ্চিত বাজির দিকে ছুঁড়ে দিয়ে অপেক্ষা এখন কেবল মৃত্যুরসম্ভবত মৃত্যুই সেই অস্বীকার! নিকোটিন শুষে পঁচে যাওয়া ফুসফুস আর হৃদপিন্ডের ভগ্নাংশ নিয়েআবাদ হওয়া সময়কে  কিছুতেই জীবন বলা যায়নাতবুও রোজ  দাঁড়াতে হয় তার মুখোমুখিডাকতে হয় প্রিয় নাম, জীবন!

  • সরোদ এবং আত্মহত্যাপ্রবণ সন্ধ্যা

    ডোমদের হাতে সরোদ হয়ে বাজে নিথর শরীর,আত্মহত্যার সুর! বিসংবাদিত  সময়ের যেকোনো আত্মহত্যাপ্রবণ সন্ধ্যাএবংএপিটাফ কখনো মিথ্যে বলেনা! তবে কী মানুষ মৃত্যুর মোড়কে মুক্তি খোঁজে? ফর্মোনাইট্রাইলে কালশীটে জিভের দিকে তাকিয়েসেই সংক্রান্ত উপসংহারে আমরা এখনো পৌছতে পারিনি। মানুষ কেবলই চিত্রিত চরিত্র একনিপুণ মহড়ায় করছে নিজেকে দৃশ্যায়ন। সমান্তরাল জীবনের অসংখ্য বিভাজনক্যালকুলাসে ক্লান্ত প্রতিটি নিঃশ্বাসঅমিমাংসীত- কতোটা অযৌক্তিক বেঁচে থাকা আর  কতোটা…

  • প্রেমতান্ত্রিক চাঁদবেলা

    গোপনে, অ-সুখে চাঁদের উনুনে পুড়ছে কাম ও প্রেমের খড়ি।একটা চিঠিতেও তোমাকে লিখতে পারিনিকত কাছাকাছি থাকি, আষ্টেপৃষ্ঠেদেখাদেখি নেইতবুবাঁকা বিদ্রুপের মতো তোমার বেআব্রু দৃষ্টিবোতাম এঁটে নিষিদ্ধ করে দেয় আকাশের রৌদ্রস্নান।যতবার মুখ থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছি অন্ধকারের রেণুঅনাদায়ী ধারের মতো ফিরে এসেছোফিরে এসেছোবারবারবুকের বিপন্ন পরাগেউৎস থেকে একা বোধনের ঢঙে।গাছের শরীরে পাতার কম্পমান ধ্বনির ভিড়েনিঃসঙ্গ কোকিল, খুঁজি কাকবাসা।তুমি এসব…

  • বিস্মৃতির কোলাজ

    অনেক খুঁজেছি!কোথাও পাইনি!জলের বুকে আচড় কেটে ক্লান্তএবার ফিরতে হবেভাঙা কবিতার গুঞ্জন নিয়ে থেমে যায় সমস্ত নীরবতাকার্ণিশে বিস্মৃতির অতলান্ত কোলাজ!কাল অবধি যাকে চিনতাম আজ আর তাকে চিনতে না পারলে অবাক হইনাসেই নাম লিখে দিই ঝরা পাতার বুকেনিরুদ্দেশের কোল ঘেষে উড়িয়ে দিই কালো ডানার প্রজাপতিআমার ভেতর প্রতিটি আমিই একা!সিগন্যালে দাঁড়ানো সন্ধ্যারবিষাদ সংলাপেতোমাকে ভাবিনা আরঅনন্ত ইথারে ছুঁড়ে দেই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *