ভীতি
ব্ল্যাঙ্ককলে উড়ে আসা ভীতির মতো জাপটে রেখেছো
একদা ভালোবেসেছিলে –
যতোটা বাসলে নিঃশ্বাসও বিষাক্ত হয়
…আর আমি আছি এখানে
চারকৌনো টেবিলে বেড়ে রালহা জড়ানো ভাত
যার শরীর থেকে উড়ে যাচ্ছে উত্তাপ
বড় বিষাদ নিয়ে আমাকে গিলছে সময়।

ব্ল্যাঙ্ককলে উড়ে আসা ভীতির মতো জাপটে রেখেছো
একদা ভালোবেসেছিলে –
যতোটা বাসলে নিঃশ্বাসও বিষাক্ত হয়
…আর আমি আছি এখানে
চারকৌনো টেবিলে বেড়ে রালহা জড়ানো ভাত
যার শরীর থেকে উড়ে যাচ্ছে উত্তাপ
বড় বিষাদ নিয়ে আমাকে গিলছে সময়।

যে ছায়া তুমি পুতে দিয়েছো অন্য কারও বুকেধরো, কোনো একদিন সে আর বাড়ি ফিরলোনা।তুমি খুঁজতে লাগলে ব্লেড, স্লীপিং পিল, উচু কোনও দালান।জেনো, এমন অনেকদিন আমারও গ্যাছে জেনো,বহুদিন আমি ফিরিনিএকাই হেঁটেছি ফুটপাত অন্ধকারের গতিবুুকের ভেতর ভেঙেচুুড়ে ঘরবাড়িঅভিমানে নিলাম ডেকে একান্ত শহরভিড়ের পায়ে পায়ে চলে গিয়েছে কোথায়, কে জানে!এভাবেই এক একটা দিন গ্যাছেতোমাকে মুছে ফেলেছেঘড়ির কাঁটার সূ্ক্ষ্ম…

কোথাও যাবোনা, দুজন বসে থাকবো পাতাদের ঝরা শব্দেবিকেলের দিকে হেলে যাবো কিছুটামানুষের পায়ের কান্নায় যে পথ ভিজে ভিজে গেছে সারা দুপুরতার কাছে ,ফিরবো শুনশান নীরবতাকোথাও যাবোনা, শুধু বসে থাকবো দুজনেআরও অনেক দুজনার মধ্যে।

এখানে নিনাদ অতলফসলের উষ্ণতায় কুঁড়েঘরগুলো দোলেসেলাই মেশিনের ক্ষিপ্রতায় প্রেমিকরা এসে দাঁড়ায়তাদের শরীর থেকে গলে যায় সুঠামএখানে ব্যথার পাশে এক দূরত্ব নেমে আসেমানুষের বেশেপথের ধারের কেও বনঅনেক নিঃসঙ্গতা ছুঁয়েছে এ বাতাসকেএ বাতাস জানে, মানুষের জীবন পাখিদের ক্লান্তিকর এক বাহাস।

যে প্রিয়জন ছেড়ে চলে গেছে খানিক দূরতাকে আবার ফিরে পেতে ইচ্ছে করেতাকে আমি কার কাছে চাইতে পারি? ছেলেবেলায় মা বলতেন “যদি কারো কাছে চাইতেই হয় তবে ঈশ্বরের কাছে চাও”আমি চাইতাই ঈশ্বরের কাছে চাইতে আমাকে দাঁড়াতে হয় নির্দিষ্ট প্রার্থনালয়ের সামনে ঈশ্বর তো সেখানেই থাকেন! অথচ ঈশ্বরকে আমার সব জায়গায় পেতে ইচ্ছে করে! আমি বয়ে বেড়াই প্রিয় এবং ভয়াবহ…

হাতের শৃঙ্খল খুলে দিলে বাগান বাড়ির দরোজাকরুণ আঙুল কথা রাখতে শিখেছে খুব।করিডোর থেকে হেঁটে এলে বিকেলপৃথিবীর হেরেমে বাস করা সিসিফাসরা দাঁড়ায় বাসের অপেক্ষায়অফিসের সেমিট্রিতে হাড়গোড় সামলাতে সামলাতে রোগা হৃদপিন্ড দাঁড়িয়ে থাকো তুমিওপুরনো বন্ধুর সংগে দেখা হলে জানতে চাও “কেমন আছিস? “প্রেমিক আঘাত পেয়েছে শুনলে ছুটে যাওতোমার খবর রাখতে আসেনা কেউ? তোমার জন্য অপেক্ষা করেনা বাড়ি? কেউ বলেনা…

তোমার ব্যথার পাশে আমি এক গভীর রমণী উড্ডীন তারাদের ছলছলশহর থেকে দূরে গোপন আরোগ্যালয়, সারি সারি শুশ্রুষাশহরের হাওয়ায় দোল খাওয়া নিঃস্ব চুলে পরম আঙুল।তোমার গোপনে আমি এক গহ্বর পিয়ানোনিঃশব্দের রীডে তোমার ভেতর বাজি দিনমানতোমাকে বাজাই দ্রোহ যাতনায়।তোমার বুকের পাশে আমি ছলাৎছল মাছেদের ঋতুকালজলের ঝিরিঝিরি উদ্বেগতোমার ঠোঁটের তীরবর্তী ল্যান্ডস্কেপে সুখের বালিয়াড়ি ঢেউতোমার স্পর্শে আমি সদ্য নারীঢেউয়ে…