পাখিদের দূরত্ব
দূরত্ব হয়ে গেলে আমাদের মধ্যে একটা পাখি ওড়ে।
শিস দেয়, ডানা ঝাপ্টায়, ছটফটায়।
এই যে সকাল, সকালের গায়ে লেগে থাকা আদর আদর ঘুম এটুকুর পর মানুষ বড্ড একা।
দূরত্ব হয়ে গেলে আমাদের মধ্যে একটা পাখি ওড়ে।
শিস দেয়, ডানা ঝাপ্টায়, ছটফটায়।
এই যে সকাল, সকালের গায়ে লেগে থাকা আদর আদর ঘুম এটুকুর পর মানুষ বড্ড একা।
রাতের মসৃণ শরীরে পাথরের মতো চেপে থাকা স্তব্ধতা আমাকে টুকরো টুকরো করে উল্লাস করেদিন হলেই পুরনো অস্বস্তির ক্ষুরধার নখ আঁচড়ে আঁচড়ে ছিন্নভিন্ন করতে থাকে মনোযোগ।এসব একই নিয়মে রোজ ঘুরেফিরে আসে।তোমাকে মিথ্যে জানার পরআমার মাথার পাশে সারাদিন কাঁদে একটা মাধবীলতা গাছতোমাকে মিথ্যে জানার পরআমার হৃদপিন্ড হয়ে উঠেছে একটা আদর্শ প্যারাসাইটআর তুমি?প্রচন্ড ভালোবেসে, সব থেকে টেনে নিয়েছুঁড়ে দিয়েছো…
ফিরতে ফিরতে ফেরা হয়নি এমন না ফেরা আমার অনেক আছে। গাছের ছায়ায়, পাতার আড়ালে, তোমার হাসির মিথ্যা সম্ভাষণে। সেইসব না ফেরা এখন স্তুপ হয়ে ভয় দেখায়।যে ঢেউগুলো ছিলো সেগুলো গত হবার পরে এই নিস্তব্ধতার সাথে যেটুকু বন্ধুত্ব সেটুকুই এখন অস্তিত্ব। তৃষ্ণার পাশে শূন্য পিপির মতো পরে থাকা! এখন দুপুর গড়ালে একটা টানা বারান্দা, দূরে ছাতিম…
১আত্মার উন্নতি কামনায় জায়নামাজে বসে নীল বাড়িটার কথা মনে পড়েতসবির দানায় পরম আঙুল মীনা করে তোমার শরীরতেলাওয়াত করি তোমারে সহীহ্ উচ্চারণে।ইবাদতে মশগুলবৈশাখের শেষ দিনগুলো তোমারে পেয়েও পায়না দিদার। গভীর মোরাক্বাবায়ফজরের মোনাজাতে ঝরা শিউলীনীল বাড়িটার রঙ ক্রমশ ধূসর। ২ঘরের দাওয়ায় সে জ্বেলে রেখেছে আলোতার মোনাজাতের হাত খসে পড়ছে কান্নায়অবাক সে তসবির, আমার চোখ কেঁপে যায়আল্লাহ কী করে তুমি…
তোমাকে কি একটু চাইতে পারি?পাতারা ঝরে যাচ্ছে রাস্তার পাশে টি-স্টলে।
ফুল, তুমি আমার নিজস্বনির্জন ভঙ্গিমাহাওয়ার কাছ থেকে পাওয়া নিঃশ্বাসের ভাগ।জারুলের দিনে বৃষ্টির কবিতা শোনাতে আসা প্রাচীন অক্ষরতোমাকে বোঝাতে পারেনিতুমি সেই বালক বয়েসযেখানে বিকেলবেলা নোঙ্গর করে ঢেউফুল, আমাকে তোমার কাছে রেখে এসে এখন কামনা করছিস্ব-কামের অপরাধে তাই বুঝি তিনি দন্ড দিলেদূরেই থাকলে তুমিআমি শিকারীর ফসকে যাওয়া নিশানা হয়ে ঢুকে যাই আরও গাঢ় বনে।
বিশীর্ণ হয়ে আসি শব্দে যতটা পারি যেনো ভাঙা চালার পাশে নুঁয়েছে ভোরতোমার মুখ উত্তরের হাওয়া, আকন্ঠ রূপে ডুবে যাওয়া চোখের সাঁতার জানা নেই জানি, সত্যের এপাড়ে প্রবল কবিতা মিথ্যা বলে গেছে শত ঝুঁকে আছে অন্তরীণ তোমার ভেতর সারাদিন বাজছে যে সুর তার আরোহণ বেয়ে নেমে আসি তোমার শরীরে লীন হয়ে আসি, ভাবি তীর্থঙ্কর চলে যাব,…
খুব ভালো লাগলো 🤍