white heart shaped balloon on white surface

মুখোশ

ঝুড়ি বটতলায় বসে পুরিয়া সাজাতে সাজাতে
জীবনের গল্প করে ওরা
অভিজাত বেডরুমে সুইসাইড নোট লিখতে লিখতে ঘুমিয়ে পরে মেয়েটা
বুকের ভেতর নিশ্চিত ঝরঝরে অসুখ নিয়ে
প্যাপিরাসের পাতায় পাতায় বর্ণিল মৃত্যু আঁকে কবি।
গভীর রাতে শহরগুলো শয্যা হয়ে যায়,
নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে থাকেন ঈশ্বর।
সুখ কুড়িয়ে বাড়ি ফিরে থু থু ফেলতে ফেলতে
বউটাকে বেধড়ক পেটায় বদ্ধ মাতাল।
জীবনের মানচিত্র জুড়ে কর্কশ নিশ্বাঃস!
ভোর হলেই খুলে যায় পৃথিবীর সবকটা সভ্যতার দরজা।
ব্রেকফাস্টের টেবিলে নরম আলাপচারিতার মুখগুলো সব মুখোশ।

Similar Posts

  • মানুষের সৌন্দর্য তার দেখবার দৃষ্টিতে

    মানুষের সৌন্দর্য বিষয়টা যতোটা না নির্ভর করে তার বাহ্যিক অবয়বের উপর তারচেয়ে বেশী নির্ভর করে যে দেখছে তার দেখবার ভঙ্গির ওপর।রবীন্দ্রনাথের বলা-অর্ধেক মানবী তুমি অর্ধেক কল্পনা সেই ভঙ্গিমার কথাই বলে। মূলত কোনো মানুষের নিজস্ব কোনো নিখুঁত রূপ থাকে না,আমাদের দেখার ভঙ্গি ও মনস্তত্ত্বই তাকে অপরূপ করে তোলে। যখন আমরা কাউকে গভীরভাবে ভালোবাসি, তখন কেবল চর্মচক্ষু…

  • প্রেমতান্ত্রিক চাঁদবেলা

    গোপনে, অ-সুখে চাঁদের উনুনে পুড়ছে কাম ও প্রেমের খড়ি।একটা চিঠিতেও তোমাকে লিখতে পারিনিকত কাছাকাছি থাকি, আষ্টেপৃষ্ঠেদেখাদেখি নেইতবুবাঁকা বিদ্রুপের মতো তোমার বেআব্রু দৃষ্টিবোতাম এঁটে নিষিদ্ধ করে দেয় আকাশের রৌদ্রস্নান।যতবার মুখ থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছি অন্ধকারের রেণুঅনাদায়ী ধারের মতো ফিরে এসেছোফিরে এসেছোবারবারবুকের বিপন্ন পরাগেউৎস থেকে একা বোধনের ঢঙে।গাছের শরীরে পাতার কম্পমান ধ্বনির ভিড়েনিঃসঙ্গ কোকিল, খুঁজি কাকবাসা।তুমি এসব…

  • ছাপ

    খুব কাছ ঘেষে দাঁড়ালে আজও হাত কাঁপে অথচ মুছে গেছি কতোদিনভীষণ আগুন জ্বেলেদুজনে আলগোছে, দু’দিকে।এখন ভালোবাসার রাত নামে হাভাতে অন্ধকারে ক্ষুধার্ত শিশুর পেটেপাশ দিয়ে হাঁকিয়ে যায় লাস্ট লোকাল, কোলাহল, মানুষতোমার জানালার শীতার্ত ঢাকনা খুলে ওম খুঁজে নক্ষত্রের ছায়াআমাদের কথা ভেবে চির অসুখী প্রেমিকার বুকের খাঁজে জমে শ্যাওলানাভীর চারপাশে উল্লাসে ফেটে পরে ক্ষুধার্ত শিশুর হাহাকারউরুর বৃত্তে পাক…

  • পুনর্বার

    মর্মর অশ্রুত পাতাদের ভেঙেতোমার বাড়ির ঘাসে শিশুর হাতের ছোঁয়ামৃত ছিলাম –তুমি আবার জন্মালে প্রেমিক হয়েদক্ষিণে হাওয়ার উতলেআমি এখনও চড়ে বসি অচিন ঘোড়ায়ঘাস, লতাপাতা আর প্রজাপতির আদিম দ্বীপেবুনে রাখি কোমল বয়েসমাঠের ধারের রাখাল বাঁশিপথ ভুলিয়ে দেয় বহু মর্মকথারআমাকে ধরে রাখো-বিরলপ্রজ বৃক্ষের শিকড়েআদিম গুহায় ধরে থাকা প্রদীপে।

  • দক্ষিণ জানালা

    একটি শীতকালীন সন্ধ্যায় তুমি আমারবাড়িতে এলেতোমাকে বলা যেতে পারতোফায়ার প্লেসের অপ্রয়োজনীয়তাসম্পর্কে বিবিধ এবংরেড ওয়াইন অথবা ব্ল্যাক লেভেল এরমোহে ভিজিয়ে নেয়া যেতো ঠোঁট । যদিও মদে আমার তেমন নেশা হয়নাচুমু খেলেই আমি মাতাল হয়ে যাই ভয়াবহ ঘোরে মেঘ হয়ে ভাসতে থাকা এক টুকরো পৃথিবীতে পালক হয়ে যাই। যদিও তোমার  না আসার অজুহাত অনেকপথে পথে পসরা সাজিয়ে…

  • প্রলম্বন

    এখানে কথা হবে নীরবেআচমকা তোমার দরোজায় দাঁড়াবে বিস্ময়অপ্রস্তুত তোমাকে দাঁড় করিয়ে রেখে ফিরে যাবে যেতার আসলে কোথাও ফেরা হবেনা!পাখি কী কখনো পেরেছে আকাশকে করতে পার?যদিও সময়টা অনিশ্চিততবুও মুগ্ধ তুমি সেভাবেই দাঁড়িয়ে রবে অনন্তকালস্মৃতির পাতায় কিংবা প্রলম্বিত অপেক্ষায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *