photography of person under water

ডুব

নিজের ভেতর ডুবে যেতে যেতে দেখা হয়ে যায় তার সাথে
ডেবে যাওয়া রথের চাকার মতো গেঁথে যাওয়া
এ দেখা না হলেই বোধহয় ভালো হতো।
কবেই তো থেমেছে গান, ভেঙেছে আসর
শেষ শ্রোতাও ফিরে গেছে ঘর
অজানা টঙ্কারে কালিঝুলি মুছে গেয়ে ওঠে
স্মৃতির অরুণ সেতার
নিমেষে জ্বলে ওঠে রঙমশাল
অনলের বিস্তৃত শোভাযাত্রা
নিশান্তের বহতা হাওয়া
এই মলাটে নোঙর করা জীবন সমগ্র
তোমার সাথে দেখা না হলেই ভালো হতো।
নিজের ভেতর ডুবে যেতে যেতে নিজের সাথেই দেখা হয়ে যেতো
নিজের ভেতর ডুবে থেকে  নিজের কাছেই ফেরা যেতো। 

Similar Posts

  • হেমন্তমর্মিতা

    এই হেমন্তবেলা –পাতার শরীরে ওড়ে মৃদু হাওয়ারাধুলোর পসরে, স্তিমিত দাঁড়িয়ে বিবর্ণ গাছেরাআহা ঝরা ফুল, মর্ম গভীরেথেকে থেকে আকুল,যেনো আবরণ খসে পড়া বঁধু,নোয়ানো মুখের বিষাদনামা। মাঠেরা আছে শুয়ে, ফসলহীনতার বিচ্ছেদে কবির কবিতা জুড়ে হরিণেরা চারিদিকে গলিত শিশির পরাগ ছুঁয়ে আমিও যখন একা অতিদূর বনবীথি, ভাঙা চাঁদ বুকে রেখে ধরে শিয়রে বেদনা, উদ্বেলিত হিমে আহা,মন কেমন হেমন্ত…

  • কাঠঠোকরা

    আমাকে তুমি বলে দিতে পারো বলে থামিয়ে দিলে কোলাহলওভাবে বহুদিন কেউ স্পর্শ করেনি আমায়যেভাবে তোমার পাঁচটা আঙুল কিনে নিলো অবলীলায়কেউ বললো অন্যায় করছিস, করছিস অযাচারশুধু এইটুক জানতামকাঠঠোকরার মতো পাঁচটি আঙুল খুঁড়ে চলেছে হৃদয় আমারভালোবাসছি আবারশুধুমাত্র সেই পাঁচটা আঙুলকে তোমারযেখানে আমি রাখতে চেয়েছি এতোকালএকটা নির্জন রাতের অনাহারএকটা বিচ্ছিন্ন সমুদ্রতটঅনাহত প্রবল ঝড়,গুড়ো কান্নার দমকএকটা ঝরা পলাশের দলিত…

  • জীবন সংক্রান্ত

    সব্জির দোকানে ছেটানো জলমাংসের দোকানে লেগে থাকা রক্তের ভিড় ভালোলাগেনা আমারভালোলাগেনাভেজানো ছোলায় ফেঁপে ওঠা রাক্ষসকরমচা চোখযাপনের আটপৌড়ে আলনায় ঝুলে থাকা বাহারি জামা। আমি এসব থেকে দূরে যেতে চাই। চাদরের ঝুল বেয়ে নেমে যায় কচ্ছপ রাতমেঝেতে ছড়ানো রিপুর কাঁদমাটি মাড়ানো পা ভিজতে থাকে বর্ষায় আমি শুধু তোমাকে ভাবি,মুঠোয় করে আনি সমুদ্রশ্বাসঅথচ তুমিও মানবিকঅমানবিক কানাঘুষা ছুড়ে মারো আমার মুখে এই বলে স্বান্তনা…

  • আরেক জন্ম

    একটা জীবন আমারও ছিলো, তোমাদের বুকের ভেতর কতো জন্মে গত।আমার বসন্তের শরীর, এক ঢোঁক অন্ধকারে নিভে জ্বলে জলে গ্যালো।একটা জন্ম আমারও ছিলো, তোমার বুকের ভেতরমাফলারে ফসিল হয়ে থাকা ওমে গ্রীষ্মকালীন খড়ার গল্পেবন্দর ছেড়ে গেলে জাহাজ, বহুকাল ঘড়ির কাঁটায় অনাহারি সময়ে।তোমার মৃত্যুর পর ভাঁজ করে রাখি আঙুলপ্রেমমূলতপ্রত্নতত্ত্বীয় হাহাকারজ্বলতে থাকা মোম এর নিঃশেষ হবার গান।ঠোঁটের ভেতর সমস্ত…

  • বিষাদ লিপি

    তোমায় নিয়ে  লেখা যেতে পারতো কী কোনো কবিতা?সম্ভবত পারতো-বিষাদের কারুকার্যে ঘনায়মান কোনো সন্ধ্যা।অথচ লেখা হলোনাপ্রত্যেকটা শুরুই শেষ হলো। এখন তুমি মানেই হৃদয়ের আর্কাইভে স্মৃতির কারাগার এখন তুমি মানেই ব্যক্তিগত কিছু দুঃখ আর সুখ?কোথায়! কখন! কেমন! কীভাবে! ব্রোথেল অথবা পানশালাকে আমার কখনো খারাপ জায়গা মনে হয়নিশুনেছি পৃথিবীর আর কোথাও সুখ কিনতে পাওয়া যায়না।তবে এ’ও সত্যি সব…

  • অন্তর্গত মসনদে

    যেনো নাচছি সকল মুদ্রায়সঠিক আর ভুলের চর্চায় ঘন উস্তাদজীদের ভীড়ে কেবল একটা হাততালির প্রত্যাশায়জন্মের কাছে জিম্মি হয়ে নাচছি পর্ণ কুটির ধারের পথের মতো কাঙাল এ প্রত্যাশাএ প্রত্যাশা তৃষ্ণার্ত উটের কুব্জের মতো বেঢপ নাচতে নাচতেমনোরঞ্জনের এ আসরে ব্যর্থ ভাঁড় আমিদাঁড়ায় রয়েছিদরোজার বাইরে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *