woman sitting on land

হেমন্ত

সেবার হেমন্তের শেষে কথা ছিল মুখোমুখি হবার
কোথা হতে আসা এক অবিরাম অনর্গল দূরত্ব আমাকে নিয়ে গেলো
তোমার কাছ থেকে দূর বহুদূর। 
চিরটাকালই ভীষণ নীরব তুমি
সবার মতো আমিও করেছি তার ভুল অনুবাদ। 
তারপর!

তারপর কেটে গ্যাছে বহুকাল
অনেকগুলো শ্রাবণ পেরিয়ে আমি শিখেছি
ভালোবাসা কেবল প্রেমিক কিংবা প্রেমিকা নামক সম্পর্কের নাম নয়
পৃথিবীর সকল মানুষের সংগে মানুষের অদৃশ্য সম্পর্কেরও নাম। 

Similar Posts

  • পৃথিবী এবং তুমি

    সেদিন বলছিলে -তুুমি কেবল আমাকে নিয়েই লিখছপৃথিবীটাকে নিয়েও লিখতে পারতে,লিখতে পারতে জানা অজানাকে নিয়ে। আমি স্মিত হেসেছিলামবলা হয়নি –  তোমাকে আবিষ্কার কোরেছি আমি পৃথিবী আবিষ্কারেরও বহুপূর্বে। তখনো তোমার সংগে আমার দ্যাখা হয়নিফলন ভালো হয়নি বলে কিষাণীর পায়ের কাছে  পরে থাকা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ দুপুরটার যে বর্ণনা লিখেছিলাম এই এতোদিন পর তা হুবহু মিলে গেছে তোমার সংগে! তোমার  জেগে…

  • হেম

    আমাকে ভুলে গেছো ভেবেহেমের কপালে চুমু খাওতোমার ঠোঁটের ডগায় উঠে আসে পুরনো ত্বকের স্বাদ, আমিবিশ্রী এক ব্যথায়  ব্যাকুল চেপে ধরোআস্তিনের মতো লেপ্টে থাকে হেমপৌঁছাতে পারেনা গভীরে ।*ভুলে গেছো ভেবে পা বাড়াতেইভূমধ্য সাগর থেকে তোমার দিকে  ধেয়ে আসে শিশিরস্মৃতির নিঃসঙ্গ করিডোরেআরও নিবিষ্ট হয়ে ওঠো হেমের শরীরেকাকে খুঁজো তুমি ওভাবে?আষাঢ়ের মিহি সুতো নিপুণ আর্দ্রতায় তোমাকে নিয়ে আসে…

  • সরোদ এবং আত্মহত্যাপ্রবণ সন্ধ্যা

    ডোমদের হাতে সরোদ হয়ে বাজে নিথর শরীর,আত্মহত্যার সুর! বিসংবাদিত  সময়ের যেকোনো আত্মহত্যাপ্রবণ সন্ধ্যাএবংএপিটাফ কখনো মিথ্যে বলেনা! তবে কী মানুষ মৃত্যুর মোড়কে মুক্তি খোঁজে? ফর্মোনাইট্রাইলে কালশীটে জিভের দিকে তাকিয়েসেই সংক্রান্ত উপসংহারে আমরা এখনো পৌছতে পারিনি। মানুষ কেবলই চিত্রিত চরিত্র একনিপুণ মহড়ায় করছে নিজেকে দৃশ্যায়ন। সমান্তরাল জীবনের অসংখ্য বিভাজনক্যালকুলাসে ক্লান্ত প্রতিটি নিঃশ্বাসঅমিমাংসীত- কতোটা অযৌক্তিক বেঁচে থাকা আর  কতোটা…

  • নাকছাবি

    কুপির আলোয় নাকছাবিডার দিকে চাইয়া থাকিরাইত বাড়নের লগে লগে কইলজার ভিত্রে তুমি জিওল মাছের লাহান উছলাওআমারে এমুনতরো এক্লা লাগে ক্যান?বড় পাগল পাগল লাগেবুকের ভিত্রে উছলায় তিন পরাণের গাঙরাইতগুলা রাক্ষসের লাহান আমারে খায়া ফালাইতে চায়!আন্ধারের লগে কথা কইতে কইতেতুমার কিচ্ছা হুনাইতে হুনাইতেআমি খালি উতলা হইআসমানের কাঁন্দনের লগে আমিও কাঁন্দিনিজেরে নিজেই কই-আমার একখান চাওয়া আছিলো, হুনবা?একটা জীবন…

  • রূপ

    সে পুরুষতার পেশীর দৃঢ়তা, যেনো কোনও দ্বীপ জাগলো আড়মোড়া ভেঙেযেনো কোনও আলো জলাধারেপানকৌড়ি হয়ে আমি ডুব মারি সে সুন্দরে।সে চোখ তাকিয়েআমার আঙুল সুর তুলে নেয় একতারায়তুমি দেখোনি তাকেতার শরীর তেপান্তরের মাঠআমি সারারাত জেগে বাঁশি বাজাই।

  • ভীতি

    ব্ল্যাঙ্ককলে উড়ে আসা ভীতির মতো জাপটে রেখেছোএকদা ভালোবেসেছিলে –যতোটা বাসলে নিঃশ্বাসও বিষাক্ত হয় …আর আমি আছি এখানেচারকৌনো টেবিলে বেড়ে রালহা জড়ানো ভাতযার শরীর থেকে উড়ে যাচ্ছে উত্তাপবড় বিষাদ নিয়ে আমাকে গিলছে সময়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *