woman sitting on land

হেমন্ত

সেবার হেমন্তের শেষে কথা ছিল মুখোমুখি হবার
কোথা হতে আসা এক অবিরাম অনর্গল দূরত্ব আমাকে নিয়ে গেলো
তোমার কাছ থেকে দূর বহুদূর। 
চিরটাকালই ভীষণ নীরব তুমি
সবার মতো আমিও করেছি তার ভুল অনুবাদ। 
তারপর!

তারপর কেটে গ্যাছে বহুকাল
অনেকগুলো শ্রাবণ পেরিয়ে আমি শিখেছি
ভালোবাসা কেবল প্রেমিক কিংবা প্রেমিকা নামক সম্পর্কের নাম নয়
পৃথিবীর সকল মানুষের সংগে মানুষের অদৃশ্য সম্পর্কেরও নাম। 

Similar Posts

  • শাস্তি

    ফুল, তুমি আমার নিজস্বনির্জন ভঙ্গিমাহাওয়ার কাছ থেকে পাওয়া নিঃশ্বাসের ভাগ।জারুলের দিনে বৃষ্টির কবিতা শোনাতে আসা প্রাচীন অক্ষরতোমাকে বোঝাতে পারেনিতুমি সেই বালক বয়েসযেখানে বিকেলবেলা নোঙ্গর করে ঢেউফুল, আমাকে তোমার কাছে রেখে এসে এখন কামনা করছিস্ব-কামের অপরাধে তাই বুঝি তিনি দন্ড দিলেদূরেই থাকলে তুমিআমি শিকারীর ফসকে যাওয়া নিশানা হয়ে ঢুকে যাই আরও গাঢ় বনে।

  • সেমেট্রি

    হাতের শৃঙ্খল খুলে দিলে বাগান বাড়ির দরোজাকরুণ আঙুল কথা রাখতে শিখেছে খুব।করিডোর থেকে  হেঁটে এলে বিকেলপৃথিবীর হেরেমে বাস করা সিসিফাসরা দাঁড়ায় বাসের অপেক্ষায়অফিসের সেমিট্রিতে হাড়গোড় সামলাতে সামলাতে রোগা হৃদপিন্ড  দাঁড়িয়ে থাকো তুমিওপুরনো বন্ধুর সংগে দেখা হলে জানতে চাও “কেমন আছিস? “প্রেমিক আঘাত পেয়েছে শুনলে ছুটে যাওতোমার খবর রাখতে আসেনা কেউ? তোমার জন্য অপেক্ষা করেনা বাড়ি? কেউ বলেনা…

  • যাপিত অক্ষরমালা

    চিঠির পৃষ্ঠা থেকে ক্রমশ ঝুলে পড়েছে অক্ষরমালাযেনো এরচেয়ে সহজ গন্তব্য নেইনাবছে দুপুর অতৃপ্তির কোষাগারকোথাও সূর্য শকুনের ডানার কাছাকাছিকোথাও চাঁদ বনের উচু গাছের মিত্রএতো উচ্চতাপ্রিয় ধারণায় আমি নিম্নগামী বিন্দুছিটকে গেছি বৃত্তের বর্তূল ঘূর্ণনেআমি প্রেমিকপ্রেমের তরল থেকে জীবন নিংড়ে নিতে ভুল করে গলে গেছি সাবানের ফেনায়উঠে গেছিস তুই যেনো পূণ্য হলো স্নানবুঝি কবিতা ছলে তোর হাত ধরতে…

  • সম্ভাবনার হাওয়ায়

    বিশীর্ণ হয়ে আসি শব্দে যতটা পারি            যেনো ভাঙা চালার পাশে নুঁয়েছে ভোরতোমার মুখ উত্তরের হাওয়া,          আকন্ঠ রূপে ডুবে যাওয়া চোখের সাঁতার জানা নেই                 জানি,         সত্যের এপাড়ে প্রবল কবিতা মিথ্যা বলে গেছে শত        ঝুঁকে আছে অন্তরীণ তোমার ভেতর         সারাদিন বাজছে যে সুর তার আরোহণ বেয়ে নেমে আসি  তোমার শরীরে লীন হয়ে আসি, ভাবি তীর্থঙ্কর  চলে যাব,…

  • অনুনয়

    প্রেমিকার সিথানে মৃত সৈনিকের নীরবতা রেখে ফিরে যেওনা যুবক।আজ যে শহরের উদোম বুক জুড়ে উন্মাদ জ্যোৎস্না!তুমি থেকে যাও অনায়াসে ভেসে যেতে চোখের মায়ায় তুলে নিতে বুক মলাটের উষ্ণতায়তুমি জেনে নাও এমন বেলায় খুঁজে নিতে হয় ক্লান্তি পোহানো কাঁধের পাশে চেনা অন্ধকার চুলের ভাঁজে হারানোর পথ।শিল্পীর ঔপনিবেশিক মগ্নতায় স্বেচ্ছাচারী ক্যানভাসে অকপট স্পর্শে জাগিয়ে তোলো ঘুমন্ত নগরী ভাঙুক সমুদ্র ঢেউ অথবা রাত প্রহরার বিক্ষুদ্ধ সৈন্যদল।থমকে থাকা সময়ে চেনা নদীর কিনার ঘেষে কাদা মাখামাখি প্রেমকে চুমু খাক রুপালি আলো নরম ঢেউয়ে পাল তোলা কাগুজে নৌকা দূর বন্দরে হারাকআজ তুমি কোত্থাও যেয়োনা যুবক আজ তুমি থেকে যাও….

  • অন্তর্গত মসনদে

    যেনো নাচছি সকল মুদ্রায়সঠিক আর ভুলের চর্চায় ঘন উস্তাদজীদের ভীড়ে কেবল একটা হাততালির প্রত্যাশায়জন্মের কাছে জিম্মি হয়ে নাচছি পর্ণ কুটির ধারের পথের মতো কাঙাল এ প্রত্যাশাএ প্রত্যাশা তৃষ্ণার্ত উটের কুব্জের মতো বেঢপ নাচতে নাচতেমনোরঞ্জনের এ আসরে ব্যর্থ ভাঁড় আমিদাঁড়ায় রয়েছিদরোজার বাইরে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *