floating green leaf plant on person's hand

সম্ভাবনার হাওয়ায়




বিশীর্ণ হয়ে আসি শব্দে যতটা পারি
            যেনো ভাঙা চালার পাশে নুঁয়েছে ভোর
তোমার মুখ উত্তরের হাওয়া,
          আকন্ঠ রূপে ডুবে যাওয়া চোখের সাঁতার জানা নেই
         
        জানি,
         সত্যের এপাড়ে প্রবল কবিতা মিথ্যা বলে গেছে শত
        ঝুঁকে আছে অন্তরীণ তোমার ভেতর
       
  সারাদিন বাজছে যে সুর তার আরোহণ বেয়ে নেমে আসি
  তোমার শরীরে লীন হয়ে আসি, ভাবি তীর্থঙ্কর
  চলে যাব, যেখানে যাচ্ছ তুমি

একটা গল্পের সত্যি হয়ে যাচ্ছে যেনো, জাগাচ্ছি নিজেকে নানা মুদ্রায়, সম্বিতে, চিমটি কেটে
এই হাওয়ায়, বিবাহ বিস্তারে, সঞ্চারি সন্তরণে
অন্তগামী মানুষের ভেতর নিজেদের ছেনে
আরও প্রবল মানুষে-
             আমরা মুখোমুখি, আমরা পাশাপাশি
মাঠেরা শুয়ে আছে অগাধ, জলেরা কট্টর ধ্যানে
পথ রাখেনা খোঁজ পায়ের, গন্তব্য না দেখা ফলকে
তবু এসে দাঁড়িয়েছি, দাঁড়িয়েছ, নিস্তরঙ্গতা ভেঙে
এসো, বেদনার মত আলিঙ্গন করি তোমাকে, আমাকে অথবা আমাদের বিপন্নতাকে।

Similar Posts

  • ভীতি

    ব্ল্যাঙ্ককলে উড়ে আসা ভীতির মতো জাপটে রেখেছোএকদা ভালোবেসেছিলে –যতোটা বাসলে নিঃশ্বাসও বিষাক্ত হয় …আর আমি আছি এখানেচারকৌনো টেবিলে বেড়ে রালহা জড়ানো ভাতযার শরীর থেকে উড়ে যাচ্ছে উত্তাপবড় বিষাদ নিয়ে আমাকে গিলছে সময়।

  • তোমাকে লিখতে চেয়ে -৩

    ফিরতে ফিরতে ফেরা হয়নি এমন না ফেরা আমার অনেক আছে। গাছের ছায়ায়, পাতার আড়ালে, তোমার হাসির মিথ্যা সম্ভাষণে। সেইসব না ফেরা এখন স্তুপ হয়ে ভয় দেখায়।যে ঢেউগুলো ছিলো সেগুলো গত হবার পরে এই নিস্তব্ধতার সাথে যেটুকু বন্ধুত্ব সেটুকুই এখন অস্তিত্ব। তৃষ্ণার পাশে শূন্য পিপির মতো পরে থাকা! এখন দুপুর গড়ালে একটা টানা বারান্দা, দূরে ছাতিম…

  • লিলিথের ডানা

    খুব তৃষ্ণা পেলে দু’হাতের আঁজলা ভরে তোমাকে তুলে নেবো ঠোঁটে, ভ্রুণ ভেঙে শৈল্পিক কারুকার্যেগহন উদার নিসর্গে তোমাকে দেবো হঠাৎ বিকেলমাথা থেকে পায়ের নখ জীভের তুলি আঁকবে প্রেমের শরীর।যেখানে এতোকাল খেলেছেন ঈশ্বররহস্যময় ঘুলঘুলিতে আমরা হাতড়ে ফিরেছি অন্ধকারের উর্বর জমিআমাদের দ্রাঘিমাংশের ক্ষয়ে যাওয়া অলীক আলোবাতাসের মালহারে উদ্বেলিত গোপন বিষাদের রীড অসুখের কোটরে তরতর করে বিস্ময়ের দ্যোতনায় নিজেকে…

  • পার্বন বেলা

    অনেক স্রোতের পর এখানে স্থিতধী হাওয়াদুরন্ত সেসব ঢেউ পড়ে আছে শৈশবের দাওয়ায়এখন বেলা অস্তগামী, ফিকে হয়ে আসা রঙেদৈর্ঘ্য প্রস্থ বেড়েছে জামার,বেড়েছে দূরত্ব আনন্দবেলার এখনো এখানে বাবা বাড়ি ফেরেন ব্যাগভর্তি হুলস্থুল নিয়েবাড়ি থেকে ওইটুকুই তো দূরত্ব ঈদগাহ’রহঠাৎ পরিচিত কোনও রান্নার ঘ্রাণে সাড়া ফেলা মায়ের পুরোনো প্রণয় যেমন কথা বলেপার্বনের দিনে এমনই হেঁটে আসে ব্যথা, উঠে আসে…

  • মনখারাপের পোস্টকার্ড

    ঠোঁট পোহানো ক্লান্তিগুলো হাসি হলে ভালো থাকে আকাশএভাবেই আয়নায়  দাঁড়াই,দিনশেষের পা ডুবিয়ে বসি সেখানেপ্রচ্ছন্ন দূরত্ব পেরুতে থাকে আমাকে।পুরনো দিন, মৃতমাছ,ছাতিম অন্ধকার,আর স্বরের কোলাহল ছিঁড়ে নিজের এতো কাছাকাছি এলে ঘামতে থাকে চোখ।সমুদ্রস্বাদ,নিজেকে বড়ই মহৎ লাগে।ভাবি, শেকড়ে চাপা মাটির অনাদর  জানে পাতার হলুদঅবিন্যস্ত রূপকে নীল পাহাড়, পাখির নখে নিঃশব্দ খেলাঘর আর  মায়ামী ঢল ছেড়ে উঠে আসো তুমিস্মৃতির রিবনে…

  • রূপ

    সে পুরুষতার পেশীর দৃঢ়তা, যেনো কোনও দ্বীপ জাগলো আড়মোড়া ভেঙেযেনো কোনও আলো জলাধারেপানকৌড়ি হয়ে আমি ডুব মারি সে সুন্দরে।সে চোখ তাকিয়েআমার আঙুল সুর তুলে নেয় একতারায়তুমি দেখোনি তাকেতার শরীর তেপান্তরের মাঠআমি সারারাত জেগে বাঁশি বাজাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *