যাবার আগে
ক্লান্তি মুছে উড়ে যাবো দূর, ডানার অস্ফুট রেখে
তোমার কাছে,
যেনো পৌড় কোনও বিকেল –
দ্বিতল জানালার বাসে
সেও যাচ্ছে বাড়ি
উড়ে যাবো নির্ঝর
মেঘার্দ্র শরীর ছোঁবেনা?

ক্লান্তি মুছে উড়ে যাবো দূর, ডানার অস্ফুট রেখে
তোমার কাছে,
যেনো পৌড় কোনও বিকেল –
দ্বিতল জানালার বাসে
সেও যাচ্ছে বাড়ি
উড়ে যাবো নির্ঝর
মেঘার্দ্র শরীর ছোঁবেনা?

কে যেনো বলছিলোএখানে আর দাঁড়াবেন নাসন্ধ্যে হয়ে এলো দিদিএবার বাড়ি যান। .একটা নিস্তব্ধ নীরব জীবন নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলাম। ধুলোর মতো মিশে গিয়েছিলাম ভীড়ের মধ্যেএকটুকরো ঘরে, চেনা রাস্তার অচেনা মোড়ে।কত লোকই তো হারেআমিও হেরে গিয়েছিলামমানুষ ভেবে চেনা মুখের কাছে। .সেদিন নোনাধরা দেয়ালের গা ঘেষে পুরনো আমি দাঁড়িয়েছিলাম একটা নতুন পথের সন্ধানে। আমি দাঁড়িয়েছিলাম সমাজ সংস্কারকে অস্বীকার করবার দৃষ্টতা নিয়েআমি…

এইখানে বিছায়ে রেখো পাঁজরআমি ফিরিবোদিনশেষের কোলাহলে নিজেরে থুয়েএইখানে, তোমার কাছেওগো আন্ধার তুমি ঘিরা থাইকো আমারেছেয়ে যেয়ো ঘাস, ভাঁটফুলের দলএইখানে, আমি ফিরিবো তোমাদের কিনারে।পরথম যৌবনে যার ঘেরাণ আমি তুইলা নিছি নাকের নোলকেযার বুকের ধারে অঘোরে ঘুমাইছে আমার পত্যেক রাইততার বুকের ভিত্রে নিজেরে থুয়েআমি ফিরিবোতার বুকের ধার ছাড়া ক্যামনে ঘুমাবে আমার রাইত?তুমি এইখানে বিছায়ে রেখো পাঁজর।আমার সন্তানের…

ফিরতে ফিরতে ফেরা হয়নি এমন না ফেরা আমার অনেক আছে। গাছের ছায়ায়, পাতার আড়ালে, তোমার হাসির মিথ্যা সম্ভাষণে। সেইসব না ফেরা এখন স্তুপ হয়ে ভয় দেখায়।যে ঢেউগুলো ছিলো সেগুলো গত হবার পরে এই নিস্তব্ধতার সাথে যেটুকু বন্ধুত্ব সেটুকুই এখন অস্তিত্ব। তৃষ্ণার পাশে শূন্য পিপির মতো পরে থাকা! এখন দুপুর গড়ালে একটা টানা বারান্দা, দূরে ছাতিম…

তোমাকে পাবার প্রত্যাশায় রোদগুলো মরে যাচ্ছে শহুরে গ্রাফিতিতেউচু মিনার থেকে হামগুড়ি দিয়ে নামছে অন্ধকার।শুধু পূর্বাভাস শুনেচায়ের কাপে গড়ানো সময় আর অন্ধকারবসে থাকছে একরোখাআমি ডুবে যাচ্ছি একটা চুপচাপ বিকেলেবুকের খুব কাছ ঘেষা ধুকপুকেযেনো তুমি বসিয়ে রাখছো খুব পাশে!এই যে তুমি বসিয়ে রাখছোআমার থেকে দূরেআমার রোদগুলো ঢেকে যাচ্ছেমানুষের দুর্বিষহ পথের স্মৃতি বুকে নিয়ে পুরনো হচ্ছে আমার জুতোগুলো…

কাটাতাঁরে ঝুলে থাকা মৃত চড়াইটাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ময়নাতদন্তেআসলে এর পরই মীমাংসীত হবে আরও একটা হত্যা অথবা আত্মহত্যা। ময়নাতদন্তের পর ফরেনসিক রিপোর্টে ডাক্তার লিখলেন- কোথাও কোনো আঘাত নেই, ক্ষত নেই, বিষক্রিয়া নেইমৃত্যুর কারণ- হৃদপিন্ডের গভীরে একটি বেকসুর মুখ।

প্রাক্তণ প্রেমিকেরা সাধারণত কখনো প্রিয় হয়নাস্মৃতি ঘাটলেই মনে হয় কোনো লাশকাটা ঘরে ঢুকে পড়েছিযেখানে ছিন্নভিন্ন বিভৎস দেহ নিয়ে পড়ে আছে ভালোবাসার শবযেখানে ঠান্ডা নীরবতা আর মৃত মৃত গন্ধে আটকে আসে দম অথচ সে আমার ভীষণ প্রিয়শীত সকালে জড়ানো ওমওম চাদরের মতো প্রিয়তার পাতা উল্টালে আজও সুবাসিত হয়ে ওঠে আমার বুক। এখনও মাঝে মাঝে আমাদের দেখা…