silhouette of person standing on rock surrounded by body of water

জীবন সংক্রান্ত

সব্জির দোকানে ছেটানো জল
মাংসের দোকানে লেগে থাকা রক্তের ভিড় 
ভালোলাগেনা আমার
ভালোলাগেনা
ভেজানো ছোলায় ফেঁপে ওঠা রাক্ষস
করমচা চোখ
যাপনের আটপৌড়ে আলনায় ঝুলে থাকা বাহারি জামা। 
আমি এসব থেকে দূরে যেতে চাই। 
চাদরের ঝুল বেয়ে নেমে যায় কচ্ছপ রাত
মেঝেতে ছড়ানো রিপুর কাঁদমাটি মাড়ানো পা ভিজতে থাকে বর্ষায় 
আমি শুধু তোমাকে ভাবি,মুঠোয় করে আনি সমুদ্রশ্বাস
অথচ তুমিও মানবিক
অমানবিক কানাঘুষা ছুড়ে মারো আমার মুখে 
এই বলে স্বান্তনা দাও এটাই জীবন
রেসের ঘোড়ার টগবগে পা’ই সুন্দর
আমি অস্থির হই, মেলে দাও তোমার বুক
যেখানে অরণ্য ছাপিয়ে প্রকট কর্পোরেট শীতলতা
কোথাও তুমি নেই! সবটাই মানবিক অবাক মানবিকতা!
জীবন,তোমার শরীর চিরকাল পাঠোদ্ধারহীন ব্রেইল
বাতাসের দিকে যায় উড়ে
মূর্খ, তাবু গেড়ে নিজেকে জয়ী ভাবি।

Similar Posts

  • অর্কিডের ঠোঁট

    যে ছায়া তুমি পুতে দিয়েছো অন্য কারও বুকেধরো, কোনো একদিন সে আর বাড়ি ফিরলোনা।তুমি খুঁজতে লাগলে ব্লেড, স্লীপিং পিল, উচু কোনও দালান।জেনো, এমন অনেকদিন আমারও গ্যাছে জেনো,বহুদিন আমি ফিরিনিএকাই হেঁটেছি ফুটপাত অন্ধকারের গতিবুুকের ভেতর ভেঙেচুুড়ে ঘরবাড়িঅভিমানে নিলাম ডেকে একান্ত শহরভিড়ের পায়ে পায়ে চলে গিয়েছে কোথায়, কে জানে!এভাবেই এক একটা দিন গ্যাছেতোমাকে মুছে ফেলেছেঘড়ির কাঁটার সূ্ক্ষ্ম…

  • সম্ভাবনার হাওয়ায়

    বিশীর্ণ হয়ে আসি শব্দে যতটা পারি            যেনো ভাঙা চালার পাশে নুঁয়েছে ভোরতোমার মুখ উত্তরের হাওয়া,          আকন্ঠ রূপে ডুবে যাওয়া চোখের সাঁতার জানা নেই                 জানি,         সত্যের এপাড়ে প্রবল কবিতা মিথ্যা বলে গেছে শত        ঝুঁকে আছে অন্তরীণ তোমার ভেতর         সারাদিন বাজছে যে সুর তার আরোহণ বেয়ে নেমে আসি  তোমার শরীরে লীন হয়ে আসি, ভাবি তীর্থঙ্কর  চলে যাব,…

  • ডুব

    নিজের ভেতর ডুবে যেতে যেতে দেখা হয়ে যায় তার সাথেডেবে যাওয়া রথের চাকার মতো গেঁথে যাওয়াএ দেখা না হলেই বোধহয় ভালো হতো।কবেই তো থেমেছে গান, ভেঙেছে আসরশেষ শ্রোতাও ফিরে গেছে ঘরঅজানা টঙ্কারে কালিঝুলি মুছে গেয়ে ওঠেস্মৃতির অরুণ সেতারনিমেষে জ্বলে ওঠে রঙমশালঅনলের বিস্তৃত শোভাযাত্রানিশান্তের বহতা হাওয়াএই মলাটে নোঙর করা জীবন সমগ্রতোমার সাথে দেখা না হলেই ভালো…

  • বৃত্ত

    ছত্রাকে ছত্রাকে ঢাকা জনম আর  অপুষ্টিজনিত মৃত্যুর পাশে তুমি কাল্পনিক শ্লেষঅজস্র হত্যার সাবলীল পরিহাস,ইতিকথার শেষখন্ড। কু-আশা ঘেঁটে স্পষ্ট অক্ষরলতায় যে শব্দ,আঙুলের নয়অলক্ষ্যের ইঙ্গিতে যে যোগাযোগসেখানেই সত্যপ্রেম, ভালোবাসা,সঙ্গম  অথবা ঘৃণা। তোমার মিথ্যাচার হেঁটে ক্লান্ত অন্তত যতিচিহ্নের বিরাম দাও! কম্পাস ভুল করা সন্ধ্যা,চেনা ঢেউবিষণ্ন প্রেমিকাদের নীচু স্বর আর সুন্দরী নদী থেকে ফুরসত মিললেফিরতে ফিরতে ভুলে যাওয়া ছাতার পাশে   ফেলো এসো…

  • বিস্মৃতির নিরালা ক্ষণ

    রাতের বুকে মাথা রেখে আমি অন্ধকারকে শুনি।ভেতরে ছটফট করে কর্পোরেট হুলস্থুল,তুমি।মন্থর পায়ে বুকের সিঁড়ি ভাঙা এইসব রাতে বৃষ্টি হয় খুব।জানালার চোখ নিয়ে যায় দূরস্মৃতির জলাবদ্ধতা সাঁতরে ফিরতে আমার খুব ক্লান্ত লাগে, জানো!ভালোবাসার অবাধ্য অন্ধকার এসে জড়ো হয়এখানে তুমি নেইতোমার শহরসময় থেকে অনেক দূরআমার খুব ঘুমিয়ে পরতে ইচ্ছে করেঅসংখ্য বিস্মৃতির নিরালা ঘরে জেগে থাকা তোমাকেঅন্ধকারের দেয়াল…

  • অসহ

    ১  . এই নীরবতা জানে ,কেমন করে ভাঙছে সকালের কোলাহল |এই নীরবতা জানে ঘন পাইনের বনে মুহুর্মুহু হাওয়া |আমি তো বেরসিক |কখনো জানিনি চুরমার ভেঙে গেলে কত | তোমার পৃথিবীর ক্ষীণ হাওয়ায় দুলে দুলে নিঃশ্বেষ| আমাকে মৌন করো |শব্দের অভিশাপে নুঁয়ে  গেছি আরও | হৃদয়ের ডানাগুলো উড়াল ভুলে হাঁসফাঁশ |তোমার দরজায় এসে দাঁড়িয়েছি |মাধুকরী আমি, মুষ্ঠিহীন ফেরত যাবনা একচুল| সারা নদী বয়ে গেছে মুহূর্তের কোলাহলে |ঢেউগুলো অবিরত| রাস্তায় ,বাড়িতে মানুষের ভিড় |অথচ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *