green grass under blue sky during night time

প্রেমতান্ত্রিক চাঁদবেলা

গোপনে, অ-সুখে চাঁদের উনুনে পুড়ছে কাম ও প্রেমের খড়ি।
একটা চিঠিতেও তোমাকে লিখতে পারিনি
কত কাছাকাছি থাকি, আষ্টেপৃষ্ঠে
দেখাদেখি নেই
তবু
বাঁকা বিদ্রুপের মতো তোমার বেআব্রু দৃষ্টি
বোতাম এঁটে নিষিদ্ধ করে দেয় আকাশের রৌদ্রস্নান।
যতবার মুখ থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছি অন্ধকারের রেণু
অনাদায়ী ধারের মতো ফিরে এসেছো
ফিরে এসেছো
বারবার
বুকের বিপন্ন পরাগে
উৎস থেকে একা বোধনের ঢঙে।
গাছের শরীরে পাতার কম্পমান ধ্বনির ভিড়ে
নিঃসঙ্গ কোকিল, খুঁজি কাকবাসা।
তুমি এসব জানবেনা,
শুধু এসব থেকে সুদূর
প্রথম চুম্বনের শিহরণ নিয়ে মৃত্যু ঘনালে
কবর শিয়রে এনে দিও বসন্ত ফোয়ারা।

Similar Posts

  • অন্তর্গত মসনদে

    যেনো নাচছি সকল মুদ্রায়সঠিক আর ভুলের চর্চায় ঘন উস্তাদজীদের ভীড়ে কেবল একটা হাততালির প্রত্যাশায়জন্মের কাছে জিম্মি হয়ে নাচছি পর্ণ কুটির ধারের পথের মতো কাঙাল এ প্রত্যাশাএ প্রত্যাশা তৃষ্ণার্ত উটের কুব্জের মতো বেঢপ নাচতে নাচতেমনোরঞ্জনের এ আসরে ব্যর্থ ভাঁড় আমিদাঁড়ায় রয়েছিদরোজার বাইরে

  • দক্ষিণ জানালা

    একটি শীতকালীন সন্ধ্যায় তুমি আমারবাড়িতে এলেতোমাকে বলা যেতে পারতোফায়ার প্লেসের অপ্রয়োজনীয়তাসম্পর্কে বিবিধ এবংরেড ওয়াইন অথবা ব্ল্যাক লেভেল এরমোহে ভিজিয়ে নেয়া যেতো ঠোঁট । যদিও মদে আমার তেমন নেশা হয়নাচুমু খেলেই আমি মাতাল হয়ে যাই ভয়াবহ ঘোরে মেঘ হয়ে ভাসতে থাকা এক টুকরো পৃথিবীতে পালক হয়ে যাই। যদিও তোমার  না আসার অজুহাত অনেকপথে পথে পসরা সাজিয়ে…

  • বিস্মৃতির কোলাজ

    অনেক খুঁজেছি!কোথাও পাইনি!জলের বুকে আচড় কেটে ক্লান্তএবার ফিরতে হবেভাঙা কবিতার গুঞ্জন নিয়ে থেমে যায় সমস্ত নীরবতাকার্ণিশে বিস্মৃতির অতলান্ত কোলাজ!কাল অবধি যাকে চিনতাম আজ আর তাকে চিনতে না পারলে অবাক হইনাসেই নাম লিখে দিই ঝরা পাতার বুকেনিরুদ্দেশের কোল ঘেষে উড়িয়ে দিই কালো ডানার প্রজাপতিআমার ভেতর প্রতিটি আমিই একা!সিগন্যালে দাঁড়ানো সন্ধ্যারবিষাদ সংলাপেতোমাকে ভাবিনা আরঅনন্ত ইথারে ছুঁড়ে দেই…

  • কাঠঠোকরা

    আমাকে তুমি বলে দিতে পারো বলে থামিয়ে দিলে কোলাহলওভাবে বহুদিন কেউ স্পর্শ করেনি আমায়যেভাবে তোমার পাঁচটা আঙুল কিনে নিলো অবলীলায়কেউ বললো অন্যায় করছিস, করছিস অযাচারশুধু এইটুক জানতামকাঠঠোকরার মতো পাঁচটি আঙুল খুঁড়ে চলেছে হৃদয় আমারভালোবাসছি আবারশুধুমাত্র সেই পাঁচটা আঙুলকে তোমারযেখানে আমি রাখতে চেয়েছি এতোকালএকটা নির্জন রাতের অনাহারএকটা বিচ্ছিন্ন সমুদ্রতটঅনাহত প্রবল ঝড়,গুড়ো কান্নার দমকএকটা ঝরা পলাশের দলিত…

  • পাথর

    মায়ের সমাধি থেকে উঠে আসে দুরূহ পাথরদাওয়ায় ছড়িয়ে থাকে রোজকার এলোমেলোনুয়ে পড়া গাছে ঠিকা লাগিয়েনিজস্ব জুতো চলে যায়, বহুদূর পথআকাশ দাঁড়িয়ে থাকে একা।করোটির  হুলস্থুল কান পেতে শোনে  ইঁদুর    হাড়ের ভেতর মরে থাকে কোকিল। অন্ধকার দুপুরেপেরেক ঠুকে সামলে রাখি ছায়াসমস্ত ঘড়ি জুড়েবয়ে বেড়াই সিসিফাস বুক।

  • বাহাস

    এখানে নিনাদ অতলফসলের উষ্ণতায় কুঁড়েঘরগুলো দোলেসেলাই মেশিনের ক্ষিপ্রতায় প্রেমিকরা এসে দাঁড়ায়তাদের শরীর থেকে গলে যায় সুঠামএখানে ব্যথার পাশে এক দূরত্ব নেমে আসেমানুষের বেশেপথের ধারের কেও বনঅনেক নিঃসঙ্গতা ছুঁয়েছে এ বাতাসকেএ বাতাস জানে, মানুষের জীবন পাখিদের ক্লান্তিকর এক বাহাস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *